বাংলাদেশকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিল ইন্দোনেশিয়া।
তিন ম্যাচেই হেরে বিদায় নিল বাংলাদেশ। ছবি: বাফুফে
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
প্রথমার্ধে যেন খেলাই ভুলে গেল বাংলাদেশ! আক্রমণ হলেই বল জড়াচ্ছিল জালে। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ কিছুটা লড়াই করলেও, কঠিন সমীকরণ মিলিয়ে আসিয়ান কাপের প্রিমিয়ার ডিভিশনে ফাইনালে জায়গা করে নিল ইন্দোনেশিয়া।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় সোমবার ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ৯-২ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ।
প্রথমার্ধেই সফরকারীরা পিছিয়ে পড়ে ৬-১ গোলে!
ইন্দোনেশিয়ার হয়ে একাই পাঁচটি গোল করেছেন মিচেল বেকার! একটি করে গোল করেছেন রিজকি রিধো, জাস্টিন হাবনার, লুক ভিক্যারি ও কেভিন ডিকস।
বাংলাদেশের গোল দুটি করেছেন শাহরিয়ার ইমন ও ফারহান আলি ওয়াহিদ।
একাদশ মিনিটে বেকারের গোলে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। ৯ মিনিট পর তিনিই দ্বিগুণ করেন ব্যবধান।
৩২তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন রিধো। চার মিনিট পর ব্যবধান কমান ইমন।
৩৭তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন বেকার। পাঁচ মিনিট পর ফের জালের দেখা পান তিনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে হাবনারের গোলে আরও পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধের অনেকটা সময় রক্ষণ জমাট রাখে বাংলাদেশ। গোলরক্ষকও বেশ দৃঢ়তা দেখান। তাতে বাড়তে থাকে ইন্দোনেশিয়ার অপেক্ষা।
একই সময়ে হওয়া অন্য ম্যাচে মালয়েশিয়া গোল পার্থক্যে এগিয়ে থেকে ফাইনালে যাওয়ার আশা জাগায়।
৯০তম মিনিটে জাল খুঁজে নেন ভিক্যারি। পরের মিনিটে ফারহানের গোলে স্কোরলাইন হয়ে যায় ৭-২। ফাইনালে যেতে তখন স্বাগতিকদের প্রয়োজন পড়ে আরও দুই গোল।
ফ্রি কিক থেকে সতীর্থর হেডে খুব কাছ থেকে হেডেই যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গোল করেন ডিকস। দুই মিনিট পর নিজের পঞ্চম ও দলের নবম গোলে ইন্দোনেশিয়াকে ফাইনালে নিয়ে যান বেকার।
মাঠে তখন হতাশায় নুইয়ে পড়েন হামজারা। ডাগআউটে ডুলিকে দেখে মনে হচ্ছিল ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন বাংলাদেশ কোচ। এতো বাজে ফুটবল কোনো দল খেলতে পারে, যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না তার।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরে আসর শুরুর পর, দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে লড়াই করে ১-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে সবচেয়ে বিব্রতকর হারের স্বাদ পেল তারা।
ভাঙচুর, দখল: ভাবমূর্তি ও জনআস্থার সংকট
৪৭-এর পাকিস্তানপ্রত্যাখ্যান ও ৭১-এর বাংলাদেশবিরোধিতা: জামায়াতের রাজনৈতিক স্ববিরোধ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: শুধু সুদের হার নয়, প্রয়োজন সমন্বিত নীতি