২০২৭ সালের ২ অক্টোবর পর্দা উঠবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের চতুর্দশ আসরের।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ডকে পেয়েছে বাংলাদেশ। নামিবিয়ার উইন্ডহকে ২০২৭ সালের ৮ অক্টোবর সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্ব আসরে অভিযান শুরু করবে লিটন কুমার দাসের দল।
৫০ ওভারের বিশ্বকাপের চতুর্দশ আসরের গ্রুপিং ও সূচি বৃহস্পতিবার প্রকাশ করে আইসিসি।
বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। সেখানে ইংল্যান্ড ছাড়াও তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউ জিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে। বাছাই পেরিয়ে আসা একটি দলও যুক্ত হবে এই গ্রুপে। যাদের বলা হচ্ছে ‘কোয়ালিফায়ার বি।’
আর ‘এ’ গ্রুপে ভারত, পাকিস্তানের সঙ্গী অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। আরেক দল বাছাই পেরিয়ে আসা ‘কোয়ালিফায়ার এ।’
নতুন কাঠামোর ‘সুপার সিরিজ’ দিয়ে আগামী বছরের ২ অক্টোবর পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের। বাছাইপর্বে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা তিন দলের মধ্যে হবে মূলত এই ‘সুপার সিরিজ।’ এখান থেকে একটি দল জায়গা করে নেবে গ্রুপ পর্বে।
বাংলাদেশের পরের প্রতিপক্ষ নিউ জিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার কুগম্পো সিটিতে ১২ অক্টোবর মুখোমুখি হবে দুই দল। চার দিন পরে ডারবানে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবেন শান্ত-মিরাজরা।
টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও ডারবানে খেলবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি মাঠে গড়াবে ১৯ অক্টোবর। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ‘কোয়ালিফায়ার বি’ এর মুখোমুখি হবে তারা, ছুয়ানে ২৩ অক্টোবর।
গ্রুপ পর্বের লড়াই শুরু হবে ৭ অক্টোবর, কেপ টাউনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ও রানার্স আপ ভারতের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে। ‘বি’ গ্রুপের আরেকটি হাইভোল্টেজ ম্যাচ ভারত-পাকিস্তান লড়াই ১০ অক্টোবর, জোহানেসবার্গে।
দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে পরের সর্বোচ্চ স্থানে থাকা দল, এই সাত দলকে নিয়ে হবে ‘সুপার সেভেন’ পর্ব। এখান থেকে শীর্ষ চারটি দল খেলবে সেমি-ফাইনালে।
২৫ অক্টোবর শুরু সুপার সেভেনের লড়াই। যেখানে রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে মুখোমুখি হবে দলগুলো।
১৭ নভেম্বর প্রথম সেমি-ফাইনাল হবে কেপ টাউনে। পরদিন শেষ চারের দ্বিতীয় ম্যাচ ছুয়ানে।
দুটি সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালের জন্য রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
ভাঙচুর, দখল: ভাবমূর্তি ও জনআস্থার সংকট
৪৭-এর পাকিস্তানপ্রত্যাখ্যান ও ৭১-এর বাংলাদেশবিরোধিতা: জামায়াতের রাজনৈতিক স্ববিরোধ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ: শুধু সুদের হার নয়, প্রয়োজন সমন্বিত নীতি