1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সতর্কতামূলক নির্দেশনা প্রসঙ্গে যে ব্যাখ্যা দিল খুলনা জেলা পুলিশ মাদারীপুরে জব্দ করা ১০ হাজার কেজি পলিথিন নিলামে বিক্রি যে অভিযোগে ‘ভায়োলেন্স’ ছাড়লেন অধরা, হাতছাড়া হলিউড প্রজেক্ট! বোলারদের নৈপুণ্যে ডারবানে শক্ত অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ফুটবল ফিয়েস্তা ৩.০’ দিবস পালনে নতুন পরিপত্র জারি, আছে ছুটির খবর পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারি গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার: সুবাস্তুর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু এসইউবির ‘অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক’ সম্মাননা পেলেন অধ্যাপক এম এ রশিদ রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘যে নদী মরু পথে’র নায়িকা নাসিমা খান মারা গেছেন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ Time View

ষাটের দশকের অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে জানা গেছে।

অভিনেত্রীর পারিবারিক সূত্রে খবরটি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নাসিমা খান বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের একজন। ষাটের দশকে রুপালি পর্দায় নিজের যাত্রা শুরু করা এই অভিনেত্রী বাংলা ও উর্দু—দুই ভাষার চলচ্চিত্রেই অভিনয় করেছেন। ১৯৪৪ সালের ৬ আগস্ট পুরান ঢাকার লালবাগে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

তার পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার রাড়িখাল গ্রামের উকিলবাড়ি। তার বাবা মোহাম্মদ মাসুদ খান। দাদা খান বাহাদুর আবদুল জলিল ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। ১৯৪০-এর দশকে লালবাগে বাড়ি করে সেখানেই বসবাস শুরু করে তাদের পরিবার।

নাসিমা খানের চলচ্চিত্রে আসার পেছনে অভিনেতা আনিসের ভূমিকা ছিল। তখন ঢাকার চলচ্চিত্রে সুলতানা জামান, রওশন আরা, সুমিতা দেবী ও চিত্রা সিনহার মতো অভিনেত্রীরা পরিচিত মুখ। নাসিমাদের বাড়ির কাছাকাছি থাকতেন অভিনেতা আনিস, যিনি খান আতা নামেও পরিচিত। নাসিমার বাবার সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। একসময় আনিসই নাসিমার বাবাকে মেয়েকে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

১৯৫৯ সালে এ জে কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় নাসিমা খানের। ঢাকার দ্বিতীয় সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত এই সিনেমায় সহনায়িকাদের একজন ছিলেন তিনি। ছবিটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পুরস্কার অর্জন করে। একই বছর বেবী ইসলাম পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘তানহা’য় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন শবনম, সুমিতা দেবী ও লাহোরের অভিনেত্রী শামীম আরা।

১৯৬১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন নাসিমা খান। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আনিস। এরপর একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের পরিচিতি বাড়ান তিনি।

নাসিমা খানের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘সূর্যস্নান’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’। এসব সিনেমায় বিভিন্ন সময়ে আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, মুস্তফা, আজিম ও হারুনের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি।

‘আসবন গ্যায়ে মতি’ চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন নাসিমা খান। বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে তার কাজের মধ্য দিয়ে ষাটের দশকের ঢাকার চলচ্চিত্রজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে তার নাম। দীর্ঘ সময় ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করার পর নাসিমা খানকে নাটকেই বেশি দেখা গেছে। বয়স ও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যম বদলালেও শিল্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল অটুট। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রাথমিক পর্যায়ে যারা অভিনয়ের মাধ্যমে পথ তৈরি করেছিলেন, নাসিমা খান তাদেরই একজন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ