1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভুয়া বিল দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বাধ্যতামূলক অবসরে ডিএনসির প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক দুর্গাপূজায় ব্যাংক ৩ দিন বন্ধ, তবে খোলা ১৭ অক্টোবর দুর্নীতির অভিযোগে কারা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে ইউপি ভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্তে সোমবার বৈঠকে বসছে ইসি অসদাচরণ ও দুর্নীতির দায়ে জেলার বরখাস্ত, রাসায়নিক পরীক্ষক অবসরে দেশের ৬৪ জেলায় তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী সোনালী যুগের প্রবীণ অভিনেত্রী নাসিমা খান মারা গেছেন দুর্গাপূজায় তিন স্তরের নিরাপত্তা: আইজিপি

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার: সুবাস্তুর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ Time View

ঢাকা: ‎শত শত গ্রাহকের কষ্টার্জিত অর্থ আত্মসাৎ, বিদেশে পাচার এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আবাসন প্রতিষ্ঠান ‘সুবাস্তু ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আবিদুর রহমানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। ‎ ‎রোববার (১১ অক্টোবর) দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ‎ ‎জানা যায়, সুবাস্তু ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের বিরুদ্ধে নিরীহ গ্রাহকদের বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং তা বিদেশে পাচারের একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কমিশনে জমা পড়েছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা বিচারে কমিশন তা আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে অনুসন্ধানকারী ও তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগের প্রক্রিয়াও শেষ করা হয়েছে। ‎ ‎দুদক-এর প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী, সুবাস্তু ডেভেলপমেন্টের পরিচালনা পর্ষদ পরিকল্পিতভাবে শত শত সাধারণ গ্রাহকের ফ্ল্যাট ও প্লট বিক্রির অর্থ আত্মসাৎ করে তা বিদেশে পাচার করেছে এবং দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছে। ‎ ‎নিয়োগপ্রাপ্ত অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪; দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭; মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর আইনগত বাধ্যবাধকতা মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‎ ‎বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অনুসন্ধান চলাকালে অভিযোগের স্বার্থে যদি অভিযুক্তদের কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (Freeze) করা কিংবা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক (Attach) করার প্রয়োজন হয়, তবে দ্রুত তা লিখিতভাবে কমিশনকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। ‎ ‎দুদক-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, অনুসন্ধানের মূল লক্ষ্য হবে, গ্রাহকদের কাছ থেকে গৃহীত তহবিলের হিসাব, সংগৃহীত অর্থের প্রকৃত ব্যবহার, আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের গতিপথ এবং অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও পরিচালকদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদের সঠিক উৎস খতিয়ে দেখা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ