1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সৌদিতে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির লাশ আসবে রাষ্ট্রীয় খরচে, আইসিইউতে ৪ সরকারিভাবে পালিত হবে ৯২ দিবস পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় সেনা মোতায়েন রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা: বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীর ক্ষোভ বাংলাদেশে আসছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই ভুয়া বিল দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, বাধ্যতামূলক অবসরে ডিএনসির প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপানের মারুবেনি টানা তিন দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক দুর্গাপূজায় ব্যাংক ৩ দিন বন্ধ, তবে খোলা ১৭ অক্টোবর দুর্নীতির অভিযোগে কারা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

দুর্নীতির অভিযোগে কারা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

বিভাগীয় তদন্তে দুর্নীতি, অসদাচরণ ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় কারা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

তারা হলেন—কুষ্টিয়া জেলা কারাগারের সাবেক জেলার মো. আবদুল ফাত্তাহ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক ড. দুলাল কৃষ্ণ সাহা।

আজ রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৩ এর জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পঞ্চগড় জেলা কারাগারের জেলারের দায়িত্ব পালনের সময় আবদুল ফাত্তাহর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।

২০১৮-১৯ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত বিভাগীয় নিরীক্ষায় আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্তে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাবা মায়ের দোয়া, নূর স্টোর ও শুভ স-মিল নামের তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৭টি ভুয়া বিল অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্তে কারা বিভাগের কর্মকর্তা, জেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মচারী এবং কারারক্ষী জাফর মাহমুদ শাকিলের যোগসাজশেরও প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থের মধ্যে ৪০ লাখ টাকা নয়টি চালানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের পঞ্চগড় শাখায় জমা দেওয়া হয়েছিল।

আবদুল ফাত্তাহর বিরুদ্ধে কারাগারে বন্দির সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া, সেই অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা এবং আর্থিক লেনদেনে জেল সুপারের অনুমোদন এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগও আনা হয়।

তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। লিখিত জবাব পর্যালোচনা, ব্যক্তিগত শুনানি, দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ নেওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, বিভিন্ন জেলা আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার বিষয়ে আদালতের সমন ও সনদ জাল করে সরকারি অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দুলাল কৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আদালতে সাক্ষ্য না দিলেও সাক্ষী হিসেবে উপস্থিতির ভুয়া বিল জমা দেন দুলাল। এছাড়া অনুমোদনহীন ভ্রমণ বিবরণী এবং অতিরিক্ত মহাপরিচালক, নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা ও প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের জন্য নির্ধারিত স্থানে ভিন্ন ভিন্ন স্বাক্ষরযুক্ত বিলও ব্যবহার করেন তিনি।

২০০০ সালের ২৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে ষষ্ঠ গ্রেডে রাসায়নিক পরীক্ষক হিসেবে যোগ দেন দুলাল। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি সফরে বিমানে ভ্রমণের সুযোগ না থাকা সত্ত্বেও দেশের অভ্যন্তরে ১০০টির বেশি বিমানযাত্রার বিল জমা দেন তিনি।

বিভাগীয় প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়, তিনি অবৈধভাবে সরকারি কোষাগার থেকে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৭ টাকা উত্তোলন করেছেন, এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় বিভাগীয় মামলা, লিখিত জবাব, ব্যক্তিগত শুনানি, দ্বিতীয় দফা কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব এবং সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ গ্রহণের পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখে কর্তৃপক্ষ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ