1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫৫ ভোট পেয়ে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে সাথে নিয়েই ভোট দিলেন মির্জা ফখরুল সব রাজনৈতিক দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছে : তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কলেরা ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে এক বছরের বেশি বয়সিদের: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিখোঁজের ৩ ঘণ্টা পর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা মির্জা ফখরুলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবাকে কোনো দয়া বা চ্যারিটি হিসেবে নয়, বরং সাংবিধানিক ও নাগরিক অধিকার হিসেবে দেখছে সরকার পে স্কেলের গেজেট সেপ্টেম্বরে, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

কীভাবে হলো মিস্টার বিনের জন্ম

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৫
  • ১৩৪ Time View

mr binআজ থেকে ২৫ বছর আগে ব্রিটেনের টিভিতে প্রথম প্রচার হয়েছিল জনপ্রিয় কমেডি মিস্টার বিনের প্রথম পর্ব। এই মি. বিন পরিণত হয়েছিল পৃথিবীর সর্বাধিক জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠানগুলোর একটিতে।

দুনিয়ার কোটি কোটি মানুষকে হাসানো এই মি. বিনের চরিত্রটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল, তাই জানতে এর স্রষ্টাদের সাথে কথা বলেছেন বিবিসির লুসি বার্নস।

মি. বিনের চরিত্রে অভিনয় করেন ইংরেজ কৌতুকাভিনেতা রোয়ান এ্যাটকিনসন। এর নির্বাহী প্রযোজক ছিলেন তার বন্ধু পিটার বেনেট-জোনস।

রোয়ান এটকিনসন অনেক পরে ২০১১ সালে – বিবিসির এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, তিনি যখন ছাত্র তখন থেকেই মি. বিনের মতো একটি চরিত্রের ধারণা তার মাথায় গড়ে উঠছিল।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কমেডি গ্রুপের সাথে অনুষ্ঠান করতেন রোয়ান এ্যাটকিনসন। তার নাম ছিল ‘দি অক্সফোর্ড রিভিউ’। আর পিটার বেনেট-জোনস ছিলেন কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের প্রতিপক্ষ কমেডি গ্রুপের সদস্য। এর নাম ছিল ‘দি ফুটলাইটস’। তাদের প্রথম পরিচয় হয় ১৯৭৬ সালে, এডিনবরা ফেস্টিভ্যালে।

স্নাতক ডিগ্রি লাভের পরে দুই বন্ধুই একসাথে কাজ করা শুরু করলেন, থিয়েটার আর টিভির জন্য।

মি. বিনের যাত্রা শুরু হয়েছিল একটা মঞ্চের অনুষ্ঠান হিসেবে। আইডিয়াগুলো দানা বেঁধেছিল রিহার্সাল রুমে। এগুলো ভেবে বের করার সময়ও তারা খুব হাসতেন।

মি. বিনের নাম প্রথমে ছিল মি. হোয়াইট। পরে তার নাম হলো মি. বিন।

২০০৩ সালে এক সাক্ষাৎকারে রোয়ান এটকিনসন বলেছিলেন, এর একটা বড় অনুপ্রেরণা ছিল ফরাসী কমেডিয়ান জ্যাক তাতির সৃষ্ট চরিত্র মি. উলো।

কিন্তু টিভিতে যে এমন একটা অনুষ্ঠান সত্যিই চলবে তা প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন হাওয়ার্ড ডেভিস, যিনি তখন আইটিভিতে কাজ করেন এবং তিনি ছিলেন বিবিসি কমেডি-র সাবেক প্রধান। তিনি শুরুতেই আইটিভির সবচেয়ে দামি সময়টার আধঘন্টা মি বিনের জন্য বরাদ্দ করে দিলেন। আর প্রথম প্রচারের দিন থেকেই মি বিন চরম জনপ্রিয়তা পেয়ে গেল।

মি বিনের প্রথম পর্ব প্রচারিত হয় ১৯৯০ সালের পয়লা জানুয়ারি।
চরিত্রটি তার বেঢপ জ্যাকেট, মোটা ভুরু, আর উস্কোখুস্কো চুল মিলে কয়েকদিনের মধ্যেই সবার পরিচিত হয়ে উঠলো। মি. বিনকে উপস্থিতই করা হয়েছে এমনভাবে যেন সে সামাজিক রীতিনীতির বাইরের একটা কিছু।

তার ট্রাউজার মাপে একটু ছোট, তার জ্যাকেট ফ্যাশনদুরস্ত নয়, তার টাইও বেমানান। সে একটু অস্বাভাবিক ধরণের, এবং আশপাশের লোকদের সাথে সে যা করছে তা একেবারেই অদ্ভূত।

পিটার বেনেট জোনস বলেন, মি. বিন যে সব বয়েসের দর্শকের কাছে এবং এতগুলো দেশে জনপ্রিয় হয়েছে তার কারণ হলো এর সার্বজনীনতা।

“মি. বিনের কাজ-কারবার সবাইকেই হাসাতে পারে। এর হাস্যরস বোঝার জন্য কোন শিক্ষার দরকার নেই, কোন ভাষারও দরকার নেই।”- বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ