বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার হারুন মিয়ার তিনতলা বাড়ির ছাদ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
আব্দুর রহমান জামালপুরের মেলান্দহ থানার বাগবাড়ি এলাকার মো. শহিদ মিয়ার ছেলে। পরিবারের সঙ্গে সে ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হয় আব্দুর রহমান। প্রায় ১০ মিনিট পর পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজতে শুরু করেন। আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ির ছাদে একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান বাড়িওয়ালার স্ত্রী রিনা বেগম (৪০)। বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে তিনি চিৎকার শুরু করেন। পরে আশপাশের লোকজন ছাদে ছুটে আসেন।
রিনা বেগম বলেন, তিনি বাড়ির ছাদে হাঁস পালন করেন। সন্ধ্যায় হাঁসকে খাবার দিতে ছাদে উঠেছিলেন। এ সময় একটি হাঁস খাঁচা থেকে বের হয়ে নেটের ওপর পড়ে। হাঁসটি ধরতে গিয়ে নেটের নিচে একটি সাদা বস্তা দেখতে পান তিনি। কাছে গিয়ে বস্তার ভেতর শিশুটির মরদেহ দেখতে পান। পরে ভয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। এ ঘটনায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা এবং কী কারণে শিশুটিকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। শিশুটিকে কীভাবে ভবনের ছাদে নেওয়া হলো এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।