হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতার। একই কারণে ইতালিতেও ডিসেম্বর পর্যন্ত এলএনজি দিতে পারছে না দেশটি। শীত মৌসুমে রাশিয়া থেকে গ্যাস আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে, মধ্যপ্রাচ্যের এলএনজির ওপর ইউরোপের নির্ভরতা বাড়বে তাদের।এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে পারে দাম আরও জটিল করে তুলতে পারে পরিস্থিতিকে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের পর থেকেই কার্যত বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালি। এতে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ খাতে। কারণ সমুদ্রপথে বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের চার ভাগের এক অংশ আসে হরমুজ প্রণালি হয়। আর এশিয়ার বাজারের প্রায় ৮০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ হয় এই রুট দিয়ে।
ইরান যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়া অন্যতম দেশ কাতার। হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় গেল আগস্ট মাসে দেশটির তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি কমেছে ৯৬ শতাংশ। এমন অবস্থায়, আগামী নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতারএনার্জি।