ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে এ আয়োজন করে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার। সিম্পোজিয়ামে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, করপোরেট নির্বাহী, শিল্প খাতের নেতা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রকল্প ব্যবস্থাপনা পেশাজীবীরা অংশ নেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতা, সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পেশাজীবীদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত আলোচনা ও পেশাগত যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাই ছিল আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। বিকালে নেটওয়ার্কিং পর্ব ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন পিএমআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট এ টি এম ইকবাল চৌধুরী। তিনি বাংলাদেশে প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক মান ও কাঠামো অনুসরণের বিষয়ে চ্যাপ্টারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সিম্পোজিয়ামের উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারি ব্যবস্থাপনা ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মানসম্মত প্রকল্প ব্যবস্থাপনা কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ‘গ্লোরিয়াস প্রজেক্ট অ্যাওয়ার্ডস’ দেওয়া হয়। পাশাপাশি পিএমআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের দীর্ঘদিনের সদস্যদের তাদের অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়। আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নির্বাহী পর্যায়ের একটি প্যানেল আলোচনা, যেখানে প্রকল্প ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা। সন্ধ্যায় বাংলাদেশ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। এ সময় মূল্যায়ন জুরি সদস্য ও অনুষ্ঠানের স্পনসরদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। আয়োজন সফল করতে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদেরও দেওয়া হয় বিশেষ স্বীকৃতি। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রোগ্রাম লিড এ বি এম তাজ-উল ইসলাম। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে নেটওয়ার্কিং সেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। পিএমআই বাংলাদেশ চ্যাপ্টার প্রকল্প, প্রোগ্রাম ও পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা পেশাজীবীদের একটি পেশাদার সংগঠন। নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্বে সংগঠনটি সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন খাতের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ, সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করে।