1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এখনো ধুঁকছে আইএফআইসি ব্যাংক গোমতীর ভাঙনে বিলীনের পথে রঘুরামপুর, আতঙ্কে ৫ হাজার মানুষ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২৫ ইরান যুদ্ধে আমরা জিতেছি, হরমুজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে: ট্রাম্প বিশ্ববাজারে ১০০ ডলারের ওপরে জ্বালানি তেলের দাম জালিয়াতির তদন্তের মুখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদের পদত্যাগ প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পুতুলের পদত্যাগ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে : সড়ক মন্ত্রী বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস–বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা প্রায় ১০ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস

গোমতীর ভাঙনে বিলীনের পথে রঘুরামপুর, আতঙ্কে ৫ হাজার মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম রঘুরামপুরে গোমতী নদীর ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছেন প্রায় ৪–৫ হাজার মানুষ। গত কয়েক বছরে নদীভাঙনে একের পর এক ফসলি জমি ও চলাচলের রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এখন নদী চলে এসেছে বসতভিটার একেবারে কাছে। ফলে ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে গোমতী নদীর বাঁক ও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন আরও তীব্র হয়েছে। নদীভাঙনে ফসলি জমির পাশাপাশি গ্রামের প্রধান সড়কের বড় একটি অংশও নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে কৃষিপণ্য পরিবহণ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ বেড়েছে।

স্থানীয় কৃষক কাসেম মিয়া বলেন, গোমতীর ভাঙনে তাদের অনেক ফসলি জমি নদীতে চলে গেছে। ভাঙন বন্ধ করা না গেলে বসতভিটাও নদীর কবলে পড়তে পারে।

বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার বলেন, নদী এখন বাড়িঘরের খুব কাছে চলে আসায় পরিবার নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় রঘুরামপুর পানির নিচে তলিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থানীয় অবকাঠামো। স্থানীয়দের দাবি, সেই ক্ষতির রেশ এখনও কাটেনি।

এদিকে নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দেবিদ্বার উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শহীদ। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সরু মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন ও বন্যার সঙ্গে লড়াই করছেন রঘুরামপুরের মানুষ। স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নদীর লুপ কাটিং, জিও ব্যাগ ও ব্লকের মাধ্যমে রঘুরামপুর গ্রামটি রক্ষায় কাজ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ