1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পুতুলের পদত্যাগ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৯ সালে : সড়ক মন্ত্রী বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস–বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা প্রায় ১০ লাখ টাকার বাজেয়াপ্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস টিসিবির জন্য ৯ হাজার টন ছোলা ক্রয়ের অনুমোদন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩ দিনে ১০৪০ কোটি টাকা উত্তোলন বিদেশ থেকে বাবার আনা আখরোট দিলো সহপাঠীদের, খেয়ে হাসপাতালে ৭ ছাত্রী দুর্নীতির অভিযোগ / বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালকের পদ ছাড়লেন পুতুল ঢাকা-চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক ট্রেন, সম্ভাব্যতা জরিপ ও নকশা প্রণয়ন সম্পন্ন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ ৭ জনের কারাদণ্ড

বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস–বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২ Time View

'বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস–বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না' বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ব্যাংক রেজোল্যুশন বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এসময় অধিবেশন কক্ষে তীব্র হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বারবার রুলিং দেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, 'বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে তার একটি নির্দিষ্ট চরিত্র প্রকাশ পায়, যা অতীতেও দেখা গেছে। এবার বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের রেকর্ড হচ্ছে।'

তিনি বলেন, 'প্রত্যেকটা সরকারের একটা চরিত্র থাকে। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট হবে না, এটা হতে পারে না। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর সারের সংকট হবে না, সারে যারা গরীব কৃষক আছেন তারা সার কারখানায় গিয়ে সেটা লুট করবেন না, সেটাও হতে পারে না।'

তিনি আরও বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর দুর্নীতিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হবে না, সেটাও হওয়া সম্ভব না। বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ঋণ খেলাপিতে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করবে না, সেইটাও হতে পারে না।'

'সুতরাং বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই ঋণ খেলাপিতে সর্বোচ্চ হওয়া, ৬ লক্ষ কোটি টাকার উপরে ঋণ খেলাপি হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি,' বলেন তিনি।

এসময় সরকারি দলের সদস্যদের যার যার আসনে বসা অবস্থায় উচ্চস্বরে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়।

সংসদে সৃষ্ট হট্টগোলের প্রসঙ্গ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, 'এত অসহিষ্ণু সংসদ! মনে হয় যেন একেবারে আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি আমরা। মজা মন্দ না! আওয়ামী লীগকে যখন বলতাম, তখন তারাও হট্টগোল করত। এখন এরাও একই ধরনের আচরণ করছে; আরো খারাপ আচরণ বরং।'

এরপর ব্যাংক রেজোল্যুশন বিলের একটি ধারা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, 'যাইহোক, এই আইনটিতে ১৮-র 'ক' ধারা যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছিল ১৮-র 'ক' রাখা হবে না, কিন্তু আছে।'

এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, 'এর কারণ হচ্ছে, এই সংসদে বেশিরভাগ সংসদ সদস্য ঋণ খেলাপি হিসেবে পরিচিত। নির্বাচনের আগে নামটা কাটানোর জন্য হাইকোর্টে গিয়ে রিট করা, এগুলো আমাদের পুরানো সংস্কৃতি, এগুলো আমরা বহুত…'

তিনি আরও বলেন, 'ইলেকশনের আগে তাড়াতাড়ি ঋণ খেলাপি থেকে নাম বাদ দেয়, আর ইলেকশনটা যেই শেষ হয়…'

সরকারি দলের কেউ রুমিন ফারহানার বক্তব্যের জবাব দেননি।

তবে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, 'জাতীয় সংসদে যেকোনো সংসদ সদস্যের কথা শোনার দায়িত্ব এবং তার বলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বা অসংসদীয় বক্তব্য এলে স্পিকারের আসন থেকে রুলিং আসতে পারে কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী জবাব দিতে পারেন, কিন্তু বক্তব্য পুরোপুরি ঢেকে দেওয়া বা থামিয়ে দেওয়া সংসদীয় রীতির পরিপন্থী।'

সংসদে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্পিকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ ও প্রতিকার দাবি জানান তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, 'একজন সংসদ সদস্য তিনি দাঁড়িয়েছেন তার কথা বলতে। আপনার জায়গা থেকে আপনি তাকে সুযোগ দিয়েছেন। হতে পারে তার কথাগুলো সবগুলা সঙ্গত নয়, আবার হতে পারে যে কথাগুলো তার গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তো কিছুই শুনতে পারলাম না, কি উনি বললেন, সব তো হারায়ে গেল। এখন তার কথাগুলো শোনার যেমন দায়িত্ব আমাদের আছে, বলারও অধিকার তার আছে। হ্যাঁ, তিনি যদি আনপার্লামেন্টারি কোনো কথা বলে থাকেন, সেটা আপনার জায়গা থেকে রুলিং আসতে পারে। আবার এ সমস্ত কথার জবাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যখন দাঁড়াবেন, তিনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, তিনি দিতেই পারেন।'

তিনি জানান, গতদিনও এরকম একটা সিচুয়েশনের মুখোমুখি আমরা হয়েছিলাম। তখন কিন্তু এই চেয়ার বড় কঠিন চেয়ার ছিল আমাদের জন্যে। আজকে উনি কী বললেন, আমরা তো একেবারেই বুঝতে পারলাম না। উনি কী গালি দিলেন না দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না। এখন আসলেই কি তিনি বক্তব্য রাখতে পারলেন? তার সংসদ সদস্য হিসেবে যে অধিকার ছিল, সেটা কি এস্টাবলিশ হয়েছে? এটা মূলত আমি আপনার কাছেই জানতে চাচ্ছি এবং এর প্রতিকারটা কী হবে? রেকর্ড হবে কীভাবে? আমরাই তো শুনি নাই, আমাদের রেকর্ডই তো হয় নাই। এজন্য এ বিষয়টা স্পষ্ট করা জরুরি বলে আমি মনে করি।'

এ পর্যায়ে এনসিপির সাংসদ আখতার হোসেন ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন থেকে ১৮-ক ধারা বাদ দেওয়ায় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, 'এই ধারাটি বাদ দেওয়ার দাবি ছিলো বিরোধী দলের। এই ধারা বাদ দেওয়ার মাধ্যমে এস আলমদের ব্যাংকের মালিকানায় ফিরে আসার সুযোগ বন্ধ হলো।'

এরপর সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সকলকে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

সবশেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করেন। তিনি আলোচনা প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি হট্টগোল প্রসঙ্গে বলেন, 'কী থেকে কী হলো কিছুই বুঝলাম না।'

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ