আন্তর্জাতিক মুক্তির দিন শুক্রবার থেকেই বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহেও দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি।
‘ক্লেফেইস’ সিনেমার পোস্টার। ছবি: স্টার সিনেপ্লেক্স।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
অ্যান্টি-হিরোভিত্তিক সিনেমার জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় বড় পর্দায় এসেছে ডিসি কমিকসের পরিচিত ভিলেন ক্লেফেইসকে নিয়ে নির্মিত সুপারহিরো-হরর সিনেমা ‘ক্লেফেইস’।
আন্তর্জাতিক মুক্তির দিন শুক্রবার থেকেই বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহেও দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি। দেশের মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় এটি চলছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “শুক্রবার থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের স্টার সিনেপ্লেক্সের শাখাগুলোতে সিনেমাটি প্রদর্শন শুরু হয়েছে। গেম ও কমিকপ্রেমী তরুণ দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।”
‘দ্য ওম্যান ইন ব্ল্যাক’ খ্যাত জেমস ওয়াটকিন্স ও চিত্রনাট্যকার মাইক ফ্ল্যানাগানের যৌথ পরিচালনায় ব্যাটম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচিত জগতের এক অন্ধকার গল্প উঠে এসেছে ‘ক্লেফেইস’-এ।
সিনেমাটিতে ম্যাট হ্যাগেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম রিস হ্যারিস। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন নাওমি অ্যাকি, ম্যাক্স মিঙ্গেলা, ডেভিড ডেনসিক ও এডি মারসন।
প্রচলিত অ্যাকশননির্ভর সুপারহিরো সিনেমার বাইরে গিয়ে ‘ক্লেফেইস’-এ গুরুত্ব পেয়েছে ‘বডি হরর’ ও মনস্তাত্ত্বিক আতঙ্ক। মানুষের শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন, মুখমণ্ডল গলে যাওয়া এবং শারীরিক রূপান্তরের অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ভয়ের আবহ তৈরি করা হয়েছে।
সিনেমার গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে গোথাম শহরের উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণ অভিনেতা ম্যাট হ্যাগেন। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার সময় এক স্থানীয় অপরাধী চক্রের হামলায় তার মুখমণ্ডল ভয়াবহভাবে বিকৃত হয়ে যায়।
চেহারা ও অভিনয়জীবন হারিয়ে ম্যাট নিজের আগের রূপ ফিরে পেতে অত্যাধুনিক এক চিকিৎসার আশ্রয় নেয়।
চিকিৎসায় সাফল্য এলেও দেখা দেয় ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ম্যাটের শরীর কাদার মতো বদলে যেতে থাকে, আর সে অন্য মানুষের রূপ ধারণের ক্ষমতা পায়। একপর্যায়ে নিজের পরিচয় ও মানবিকতা হারিয়ে তার এই ক্ষমতা প্রতিশোধের ভয়ংকর অস্ত্র হয়ে ওঠে।
মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে
প্রয়োজন কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প শ্রমবাজার
ডিজিটাল নিরাপত্তা কি শুধু সচেতন ও বিত্তবানদের জন্য?