1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বালি থেকে মুম্বাই, কী হয়েছে অভিনেত্রী নুসরাতের? বাংলাদেশ সহযোগিতা চায়, অন্যের খেলার দাবার বোর্ড হতে চায় না: শামা ওবায়েদ ডিএমপির ১১ পুলিশ পরিদর্শককে ঢাকার বাইরে বদলি দেশ-বিদেশে পাটের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার ‘ট্রাম্প ঈশ্বর প্রেরিত’ বিজ্ঞাপনে সরকারি অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রে সমালোচনা তুঙ্গে এলিন-মিথুনে ভর করে এগিয়ে খুলনা, সোহান সাব্বিরের ব্যাটে রাজশাহী কালীগঙ্গায় নৌকা বাইচ: বৈঠার ছন্দে উত্তাল দুই তীর এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতা, লিটন বললেন ‘পদত্যাগের কিছু নেই’ চট্টগ্রামে কিষোয়ান ফুটবল একাডেমির যাত্রা শুরু ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপিতে দুদিনে ৪০৬১ মামলা

স্বামীর পরকীয়া জেনেও ১২ বছর সংসার, বিচ্ছেদ চাননি অভিনেত্রী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় ও সাহসী অভিনেত্রী জিনাত আমানের ব্যক্তিজীবন বরাবরই আলোচনায়। বিশেষ করে অভিনেতা মাজহার খানের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবনের নানা টানাপোড়েন আজও কৌতূহল জাগায়।

স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জানার পরও বিচ্ছেদের পথে হাঁটেননি জিনাত। বরং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ১২ বছর ধরে টিকিয়ে রেখেছিলেন তাদের সংসার।

সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে নিজের দাম্পত্য জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছিলেন জিনাত। অভিনেত্রীর কথায়, বিয়ের মাত্র এক বছরের মধ্যেই তার মনে হয়েছিল, মাজহারকে বিয়ে করার সিদ্ধান্তটি হয়তো ভুল ছিল। সেই সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন তিনি।

এরই মধ্যে মাজহারের অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর প্রকাশিত হয় ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায়। বিষয়টি জিনাতেরও অজানা ছিল না। কিন্তু স্বামীর পরকীয়ার খবর জানার পরও সংসার ভেঙে বেরিয়ে আসেননি তিনি।

এর পেছনে ব্যক্তিগত একটি কারণও ছিল জিনাতের। পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করেই মাজহারকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাই সম্পর্কের জটিলতা সত্ত্বেও দাম্পত্য জীবন ভেঙে দেওয়ার পরিবর্তে তা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন অভিনেত্রী।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সম্পর্কের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। মাজহার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামীর চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন জিনাত। পরবর্তী প্রায় পাঁচ বছর তার চিকিৎসার জন্য ছুটে বেড়িয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতালে। চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সবকিছুতেই সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তিনি।

এমনকি স্বামীর পরিচর্যার জন্য বাড়িতেও নানা কাজ শিখে নিয়েছিলেন জিনাত। দাম্পত্য জীবনের ব্যক্তিগত কষ্ট ও জটিলতার মধ্যেও অসুস্থ মাজহারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন এই অভিনেত্রী। প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে হয়েছিল তাকে।

জিনাত ও মাজহারের দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১২ বছর। সম্পর্কের শুরু থেকেই নানা টানাপোড়েন থাকলেও বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেননি অভিনেত্রী। বরং স্বামীর জীবনের শেষ কঠিন সময়ে তার চিকিৎসা ও সেবাযত্নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।

১৯৯৮ সালে মারা যান মাজহার খান। তার মৃত্যুর পরও জিনাত আমানের দাম্পত্য জীবনের এই অধ্যায় বলিউডের আলোচিত ব্যক্তিগত ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে রয়েছে। পর্দায় আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত জিনাতের জীবনের এই অভিজ্ঞতা তার ব্যক্তিগত জীবনের এক জটিল ও আবেগঘন দিক তুলে ধরে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ