1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ সহযোগিতা চায়, অন্যের খেলার দাবার বোর্ড হতে চায় না: শামা ওবায়েদ ডিএমপির ১১ পুলিশ পরিদর্শককে ঢাকার বাইরে বদলি দেশ-বিদেশে পাটের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার ‘ট্রাম্প ঈশ্বর প্রেরিত’ বিজ্ঞাপনে সরকারি অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রে সমালোচনা তুঙ্গে এলিন-মিথুনে ভর করে এগিয়ে খুলনা, সোহান সাব্বিরের ব্যাটে রাজশাহী কালীগঙ্গায় নৌকা বাইচ: বৈঠার ছন্দে উত্তাল দুই তীর এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতা, লিটন বললেন ‘পদত্যাগের কিছু নেই’ চট্টগ্রামে কিষোয়ান ফুটবল একাডেমির যাত্রা শুরু ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপিতে দুদিনে ৪০৬১ মামলা প্রযুক্তির উৎপাদক ও রপ্তানিকারক হতে হবে বাংলাদেশকে: বিজ্ঞানমন্ত্রী

দেশ-বিদেশে পাটের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩০ Time View

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশে উৎপাদিত পাটকে সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজিত পণ্যে রূপান্তরের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ও রাজস্ব আয় বাড়ানোর কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি রেশম, তাঁত ও পাটপণ্যসহ তৈরি পোশাকের বাইরের সম্ভাবনাময় খাতগুলোর বিকাশেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে জেডিপিসি এবং পাটখাতের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) প্রাঙ্গণে ছয় দিনব্যাপী ‘বহুমুখী পাটপণ্য মেলা’ ও নতুন বিক্রয় কেন্দ্র ‘জেপিডিসি এক্সপ্রেস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পাটমন্ত্রী জানান, রপ্তানিতে মূল্য সংযোজন না থাকলেও পাটকে পর্যায়ক্রমে স্লাইভার, প্যাকেজিং এবং ব্লেন্ডেড ফাইবারসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্যের পণ্যে রূপান্তরের মাধ্যমে কাঁচা পাটের মূল্য কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। তিনি জানান, গত বছর বাজারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রতি টন কাঁচা পাটের দাম ছিল প্রায় দেড় লাখ টাকা বা প্রায়িএক হাজার ২০০ মার্কিন ডলার। একই পরিমাণ পাট প্যাকেজিং পণ্যে রূপান্তর করা হলে এর মূল্য প্রায় দুই হাজার ৪০০ থেকে দুই ৫০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হতে পারে। আবার পাটের সঙ্গে কটন বা অন্যান্য ফাইবার মিশিয়ে ব্লেন্ডেড ফাইবারসহ উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন করা গেলে প্রতি টনে প্রায় চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্য অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশে যে পরিমাণ পাট উৎপাদিত হয়, তার সর্বোচ্চ অংশকে মূল্য সংযোজিত পণ্যে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পাট থেকে বৈদেশিক মুদ্রা ও রাজস্বের সর্বোচ্চ আহরণ সম্ভব। তিনি বলেন, রেশম, তাঁত ও পাটজাত পণ্যের বিকাশে সহায়ক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করতে জেডিপিসিতে স্থায়ী শোরুম চালু করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রদর্শনী ও মেলা আয়োজনের মাধ্যমে দেশীয় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বিদেশি ক্রেতাদের কাছেও এসব পণ্যের পরিচিতি বাড়ানোই সরকারের উদ্দেশ্য। তিনি জানান, এসব পণ্যের মধ্যে বিপুলসংখ্যক হাতে তৈরি পণ্য রয়েছে। সেগুলো মূলত ক্ষুদ্র শিল্পের উৎপাদন হিসেবে বাজারে আসছে। সরকার আগামী দিনে এসব খাতকে আরও বিকশিত পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায় ও সে লক্ষ্যেই নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, জেডিপিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহিদ হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

জেডিপিসি প্রাঙ্গনে আয়োজিত ছয় দিনের বহুমুখী পাটপণ্য মেলা ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।

অন্যদিকে, নতুন চালু হওয়া বিক্রয় কেন্দ্র ‘জেডিপিসি এক্সপ্রেস’ প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সপ্তাহজুড়েই খোলা থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ