জাতীয় ক্রিকেট লিগ শুরুর পর সিলেট বিভাগকে চ্যাম্পিয়ন হতে দুই যুগের বেশি অপেক্ষা করতে হয়েছে। কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েই সিলেটের ইতিহাস বদলে দিয়েছেন রাজিন সালেহ। তার কোচিংয়ে ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রথমবার জাতীয় ক্রিকেট লিগের শিরোপা জেতে সিলেট। গত মৌসুমে অপরাজিত থেকেও রানার্সআপ হয় দলটি। এবার সেই শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে সিলেট। দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, ড্রেসিংরুমের সংস্কৃতি, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যবধান, এনসিএলে এবারের পরিবর্তন এবং সিলেট থেকে একের পর এক পেসার উঠে আসার কারণ, এসব নিয়ে জাগো নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন সিলেট বিভাগের প্রধান কোচ রাজিন সালেহ। তার চুম্বক অংশ এখানে তুলে ধরা হলো-
জাগো নিউজ: প্রস্তুতি এখন পর্যন্ত কেমন?
রাজিন সালেহ: যেহেতু আমার একটা প্রস্তুতি ম্যাচও আছে আগামী শনি-রোববার। এরপর দেখা যাবে খেলোয়াড়দের অবস্থা। অবশ্যই আমাদের এখানে যেমন টেস্ট খেলোয়াড় আছে, যাদের টেস্ট দলে ডাকা হয়নি, তারা তো চলে যাবে। যেমন খালেদ, এবাদত, জাকির হাসান, অমিত হাসান, এদের যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। জাকিরের আন্তর্জাতিক দলে যাওয়ারও সম্ভাবনা আছে।
এর মধ্যেও আমি চেষ্টা করছি, সিলেট দল গত ছয় বছর যেভাবে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে যাচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতা যেন ধরে রাখতে পারে। সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি এখানে আসছি দুই দিন হলো। এর মধ্যে কীভাবে খেলোয়াড়দের আরও উন্নত করা যায়, সেটা নিয়ে কাজ করছি।
জাগো নিউজ: আপনি কোচ হওয়ার পরই সিলেট প্রথম শিরোপা জিতেছে। সাম্প্রতিক সময়েও দলটা ধারাবাহিকভাবে ভালো করছে। কোচ হিসেবে এমন কী পরিবর্তন এনেছেন, যার কারণে এই সাফল্যটা ধারাবাহিকভাবে আসছে?
রাজিন সালেহ: প্রথমত, খেলোয়াড়দের নিবেদন এবং সমর্থন ছিল। এখানে সিলেটে যারা আছে, জাতীয় দলে যারা আছে খালেদ, এবাদত, আবু জায়েদ রাহি তারা সবাই সহযোগিতা করেছে। আমি যেটা চেয়েছি, সেটা হলো ড্রেসিংরুমটা সঠিক হওয়া জরুরি। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ড্রেসিংরুমে যে পরিবেশ দরকার, সেই ড্রেসিংরুম তৈরি করতে আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সত্যি কথা বলতে, আমি যখন প্রথম বছর সিলেট বিভাগে আসি এবং জাতীয় লিগ খেলি, তখন আমাদের দলে অনেক ভালো ভালো খেলোয়াড়, সুপারস্টার ছিল।