শরীয়তপুর ও বরিশালের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগে জয়ন্তী নদীতে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলার সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রামের যোগাযোগে তৈরি হবে নতুন সম্ভাবনা। কৃষিপণ্য ও মাছ পরিবহনসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে আসবে গতি।
জীবন্ত ও বহমান জয়ন্তী নদী। দুই জেলার সীমানা ঘেঁষে বয়ে চলা এই নদী একদিকে শরীয়তপুর অন্যদিকে বরিশাল। সরাসরি সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এখনো বড় বাধা এই নদী। একটি সেতুর অভাবে দুই জেলার মানুষের বাড়তি সময় ও ভোগান্তি পোহাতে হয়। নদীর ওপর সেতু নির্মাণ হলে খুলে যাবে যোগাযোগের নতুন দুয়ার।
সেতুটি নির্মিত হলে শরীয়তপুর ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ গড়ে উঠবে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের যোগাযোগের তৈরি হবে নতুন বিকল্প পথ।
স্থানীয়দের মধ্যে একজন বলেন, ‘শুধু এই যে নদীর ওপারটু যাব, ওই যে ওই আমাদের বাড়িও এখানে দেখা যায়, কিন্তু আমি যাইতে পারতেছি না। দেড়টা ঘণ্টা আমি এখানে বইসা রইছি।’
অন্য একজন বলেন, ‘আমাদের এই জয়ন্তী নদীর উপরে যদি একটা ব্রিজ সেতু হইতো, তাহলে আমাদের আরও এক থেকে দেড় ঘণ্টা সেভ হইতো।’