1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় হচ্ছে সমন্বিত নীতিমালা গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি হতেন : হামিদুর আযাদ সরকারি বেতন ১০০% বাড়ানোর সুপারিশ, দুই বছরে বাস্তবায়নের প্রস্তাব বিটিআরসির নতুন ডিজি হলেন মনিরুজ্জামান তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা : অতুল কেশপ ‘অনেক কিছুই আমার কাছে আছে, সময়মতো প্রকাশ্যে আনব’ মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ১৬ আগস্ট ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষ’ শুরু, ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণপদক ঈদে মিলাদুন্নবী কবে, জানা যাবে আজ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রধানের সাক্ষাৎ

ইরাক থেকে সৈন্য সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ হচ্ছে ২০ বছরের সামরিক উপস্থিতি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ Time View

ইরাক থেকে অবশিষ্ট সব সৈন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রত্যাহার করে নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ২০০৩ সালে আগ্রাসনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দুই দশকেরও বেশি সময়ের মার্কিন সামরিক উপস্থিতির চূড়ান্ত অবসান ঘটতে যাচ্ছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে এক বৈঠকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি জানান, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরই আইসিসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জোটের সামরিক অভিযান সমাপ্তির নির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত তারিখ। একজন মার্কিন কর্মকর্তাও সেনাবহরের এই পরিকল্পিত প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র গত বছরই ইরাকের বেশির ভাগ প্রধান ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছিল, তবে উত্তর ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলে কিছু সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছিল। দুজন কুর্দি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে থেকেই এরবিল ঘাঁটি থেকে মার্কিন কর্মী ও সামরিক সরঞ্জাম সরানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০০৭ সালে বিদ্রোহ দমন অভিযানের চূড়ান্ত পর্যায়ে ইরাকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১১ সালে প্রথম দফায় সব যুদ্ধরত সেনা প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএসের চরম উত্থান ঘটলে ইরাক সরকারের আমন্ত্রণে আবারও সেখানে মার্কিন বাহিনী ফিরে আসে। ২০২১ সালে আইএসআইএস পরাজিত হলে যুদ্ধ অভিযান শেষ করে প্রশিক্ষণ ও সন্ত্রাসবিরোধী সহায়তার জন্য প্রায় ২৫০০ সেনা রেখে দেওয়া হয়েছিল।

বিদেশি সেনা প্রস্থান নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের ভেতরের সশস্ত্র অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ নিয়েছে ইরাক সরকার। প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সমর্পণের জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। তার স্পষ্ট বক্তব্য—বিদেশি সেনা চলে গেলে দেশে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর আলাদা অস্ত্র হাতে রাখার আর কোনো যৌক্তিকতা থাকে না।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়া নিয়ে বড় ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের বেশ কয়েকটি শক্তিশালী ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠী ইতিমধ্যেই অস্ত্র ত্যাগের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ফলে মার্কিন সেনামুক্ত ইরাকে নতুন করে অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ