1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে মাঠে নামছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা কুমিল্লায় চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগ হয়নি ৬ প্রাথমিক শিক্ষক খুলনায় চায়ের দোকানে বসে থাকা ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা সিলেট বিভাগে সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৬ জাতীয় দলে মেসির শেষ সময়টুকু প্রাণভরে উপভোগ করতে চান স্কালোনি ম্যাচ রেফারি হতে ক্রিকেট থেকে অবসরে পাকিস্তানি পেসার শাহজালালের ইডিকে হুমকি: জামিন নাকচ, আখতারুজ্জামান কারাগারে ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির রাজশাহীতে অভিষেকেই শি চাওয়ের দাপট, সরাসরি সেটে জয়

শ্যামল-বাবু-রূপাকে সাংবাদিক হিসেবে আসামি করা হয়নি: প্রসিকিউটর তামীম

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১১ Time View

উদাহরণ হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

চলতি মাসেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রূপার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ার দিন রয়েছে।

রোববার প্রসিকিউশনের বিফ্রিংয়ে তাদের প্রসঙ্গ আসে। সাংবাদিকরা জানতে চান, এই তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কেন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হচ্ছে?

জবাবে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেছেন, ‘অতিউৎসাহী হয়ে মিথ্যা’ খবর প্রচার, ঘটনাকে ‘বিকৃতভাবে উপস্থাপন ও অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা’ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, আসামি করার ক্ষেত্রে কারও পেশা বিবেচনা করা হয়নি।

প্রসিকিউটর তামীম বলেন, “ট্রাইব্যুনালে যারা আসামি হয়েছেন, তাদের প্রত্যেকেরই একটি পেশা থাকতে পারে। তবে আসামি হওয়ার ক্ষেত্রে পেশা কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে, তাদেরই অভিযুক্ত করা হয়েছে; তারা এখানে সাংবাদিক পরিচয়ে আসেননি।”

উদাহরণ হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, তাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে আইন অমান্য করার কারণে আসামি করা হয়েছে।

এ তিন সাংবাদিকের মধ্যে শ্যামল দত্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক।

মোজাম্মেল বাবু একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক। একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রূপা।

গেল ২৪ অগাস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়কার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তামীম বলেন, “সারা দেশে যখন হত্যাযজ্ঞ চলছিল, তখন একদল সাংবাদিক তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার কথা বলে সমর্থন জানিয়েছিলেন।”

ওই সময়ে গণমাধ্যমে সঠিক খবরের বদলে ‘ভুল খবর প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে’ বলেও দাবি করেন প্রসিকিউটর তামীম।

তবে সব সাংবাদিককে ঢালাওভাবে আসামি করা হচ্ছে না তুলে ধরে তিনি বলেন, তৎকালীন সরকার সাংবাদিকদের মিথ্যা খবর প্রচারে বাধ্য করেছিল—এমন প্রমাণ প্রসিকিউশনের কাছে রয়েছে।

“যে সকল সাংবাদিকরা অতিউৎসাহী হয়ে মিথ্যা খবর প্রচার করছে অথবা একটা ঘটনাকে মিথ্যাভাবে মানুষের কাছে উপস্থাপন করছে অথবা একটা অপরাধ সংগঠনে সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে প্ররোচনা দিয়েছেন, তাদেরকে কেবল আমরা এখানে আসামি করছি।”

বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে তামীম বলেন, “তাদের বিচারের জন্য সোপর্দ করা হচ্ছে মাত্র। তারা আইনজীবী নিয়োগ করে বিচার মোকাবিলার সুযোগ পাবেন। বিচারে অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি হবে, আর প্রমাণিত না হলে খালাস পাবেন। তাদের সামনে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ আছে।”

এর আগে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন তিন সাংবাদিক। তাদের মধ্যে মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রূপা শাপলা চত্বর মামলারও আসামি।

২০২৪ সালের ২১ অগাস্ট ফ্রান্স যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফারজানা রূপাকে আটক করা হয়। ওই সময় তার স্বামী সাংবাদিক শাকিল আহমেদকেও আটক করা হয়।

পরে উত্তরা পূর্ব থানার একটি হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

অন্যদিকে ২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভোরে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন শ্যামল দত্ত ও মোজাম্মেল বাবুকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ভূমিহীন হলে কি সরকারি চাকরি পাওয়া যাবে না?

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: পাঁচ বছরের এক রোমাঞ্চকর আইনি লড়াই

রক্তরেখায় বাংলাদেশ এবং বিরুদ্ধ সময়ের এক সাহসী মানুষ

স্কুল নম্বর ২৪২১ তৌফিক ইমরোজ খালিদী: যার খবর বদলানো যায় না

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ