1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন

দাফনে এক টাকাও খরচা নেই আজিমপুর কবরস্থানে

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৪২ Time View

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকার আজিমপুর কবরস্থানে লাশ দাফনে বর্তমানে মৃতের স্বজনদের একটি টাকাও খরচা হয় না। বর্তমানে যে কারো লাশ দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় কাফনের কাপড়, সাবান, লোবান, বাঁশ, চাটাই ও কবর খোদাই করাসহ সকল খরচ ডিএসসিসির নিজস্ব ফান্ড থেকে বহন করা হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে এ কবরস্থানে সরকারি খরচে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লাশ দাফন করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর (বুধবার) সকাল ১০টা পর্যন্ত গত ২৮ দিনে আজিমপুর কবরস্থানে বিনামূল্যে ৫৮১টি লাশ দাফন করা হয়েছে।

শুধু লাশ দাফনই নয়, ডিএসসিসি এলাকায় মৃত অস্বচ্ছল নাগরিকদের লাশ সিটি কর্পোরেশনের খরচে লাশবাহী গাড়ি/অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তার স্থায়ী ঠিকানা পৌঁছানোরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ সেবা প্রদানের জন্য ডিএসসিসি দুটি হটলাইন ফোন নম্বর (০২-৯৫৫৬০১৪, ০১৭০৯৯০০৮৮৮) খোলা হয়।

আজিমপুর কবরস্থানের মোহরার মৌলভী মিজানুর রহমান জানান, শুধু আজিমপুর কবরস্থানেই নয়, মেয়র সাঈদ খোকনের নির্দেশে ডিএসসিসি এলাকার আওতাধীন সকল কবরস্থান ও শ্মশানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লাশ দাফন/দাহ করা হচ্ছে। ডিএসসিসির ব্যতিক্রমধর্মী এ উদ্যোগে সুবিধাভোগীরা বেশ আনন্দিত বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, আজিমপুর পুরাতন ও নতুন কবরস্থান মিলিয়ে প্রতিবছর ১০ হাজার লাশ দাফন হয়। আগে লাশ দাফনের জন্য সরকারি ফি ২০০ টাকা ও কবরভেদে (বড়, মাঝারি ও ছোট) লাশ দাফনের জন্য সর্বনিম্ন ৮৭ টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৫শ’ টাকা খরচ হতো। এর বাইরে দাফনের কাপড় বাবদও ১হাজার থেকে দেড় দুই হাজার টাকা খরচ হতো।

গতকাল (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিন আজিমপুর কবরস্থান ঘুরে দেখা গেছে, পুরাতন কবরস্থানের অফিস কক্ষে ২৩৫/এ লালবাগ রোডের বাসিন্দা ৮০ বছরের বৃদ্ধা আম্বিয়া খাতুনের লাশ দাফনের প্রক্রিয়া চলছে। বৃদ্ধার স্বজনরা জানান, কবর দিতে তাদের কোনো টাকা লাগছে না। বাসা থেকে গোসল করিয়ে এনেছেন বলে দাফনের কাপড়টা তারা কিনেছেন। বিনামূল্যে দাফনের জন্য মেয়রের এ উদ্যোগকে তারা স্বাগত ও ধন্যবাদ জানান।

সরেজমিন দেখা যায়, অফিস কক্ষে বসে মোহরার মৃতের নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ করছেন। পাশে বসে আছে কবরস্থানে বাঁশ ও চাটাইয়ের ঠিকাদার সৈয়দ বরকত হোসেন কল্লোল। তিনি জানান, এখানে লাশ নিয়ে আসলে তারা প্রয়োজন অনুসারে বাঁশ ও চাটাই বিনামূল্যে সরবরাহ করেন। ডিএসসিসিতে বিল জমা দেয়ার জন্য কবরস্থানের প্যাডে মৃতের স্বজনদের স্বাক্ষর রাখেন। নতুন নিয়মে বিল পেতে তার কোনো সমস্যাই নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ