1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, লাগবে যে যোগ্যতা সোমবার থেকে নতুন রুটে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস ইনশাআল্লাহ সিলেট- ২ আসনের কোন এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত থাকবে না- এমপি লুনা ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে যেসব স্টেশনে থামবে মহানগর এক্সপ্রেস বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারতের চেয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ সরকার পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে আন্তরিক প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে সই হতে পারে যেসব সমঝোতা স্মারক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার নয়: পানিসম্পদমন্ত্রী পূর্বনির্ধারিত স্থানেই শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের দাবি ফুটবল উন্নয়নে জাপানের ক্লাবের সঙ্গে যে পরিকল্পনা শামস-উল-হুদা ফুটবল একাডেমির

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে ভারতের চেয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স- জিএইচআই) ২০২৬-এ ১২২টি দেশের মধ্যে ৮৪তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ২। এর অর্থ এই তালিকায় বাংলাদেশ ক্ষুধা পরিস্থিতির ‘মাঝারি’ শ্রেণিতে রয়েছে।

সূচকে অন্তর্ভুক্ত ১২২টি দেশের মধ্যে ২৪ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে ভারতের অবস্থান ১০০ তম। অন্যদিকে ২৫ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে ১০৬ তম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান।

দক্ষিণ এশিয়ার গড় স্কোরের তুলনায় বাংলাদেশ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর গড় স্কোর যেখানে ২৩ দশমিক ৫, সেখানে বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ২। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলংকা ও নেপাল। তবে বৈশ্বিক গড় স্কোরের (১৮ দশমিক ১) তুলনায় বাংলাদেশ এখনো কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে স্কোর নির্ধারণ করা হয় শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে। স্কোর ১০-এর কম হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এ হিসাবে বাংলাদেশের ১৯ দশমিক ২ স্কোর মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতি নির্দেশ করে।

মূলত চারটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে জিএইচআই স্কোর নির্ধারণ করা হয়। এগুলো হলো— জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার, শিশুমৃত্যুর হার, বয়সের তুলনায় শিশুদের উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শিশুদের ওজন কম হওয়া।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সূচকে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বয়স অনুযায়ী উচ্চতা না বাড়া বা খর্বকায়তার হার ২৪ দশমিক ০ শতাংশ। তবে এটি একটি বড় অগ্রগতি, কারণ ২০০০ সালে এই হার ছিল ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। অর্থাৎ গত ২৬ বছরে এই হার ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চতা অনুযায়ী ওজন না বাড়া বা কৃশতার হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। পাঁচ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই মারা যাচ্ছে দেশের ৩ দশমিক ০ শতাংশ শিশু।

তথ্যসূত্র : গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ