রাঙ্গামাটির সাজেকে অবরোধের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের দাবি, অবরোধকারীদের সরিয়ে দিতে গেলে ইউপিডিএফ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে গুলি চালায়।
তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)।
এদিকে, অবরোধে সড়কে আটকে পড়া প্রায় দুই হাজার ৩০০ পর্যটককে উজোবাজার থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণ–অধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকে এ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
সকালে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র থেকে ফেরার পথে উজোবাজার এলাকায় অবরোধকারীরা পর্যটকদের আটকে দেন। পরে তাদের সরিয়ে নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অবরোধকারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনায় কয়জন আহত হয়েছেন, তা সঠিকভাবে জানা যায়নি।
পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, সকাল ১১টার দিকে উজোবাজার থেকে পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া সময় অবরোধকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন।
তিনি বলেন, পরে অবরোধকারীদের সরিয়ে দিয়ে পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে অবরোধকারীদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপে কিছু পর্যটক আহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি, তবে সংখ্যাটা বলা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ইউপিডিএফ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপরে গুলি চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ঘটনা ঘটছে। এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
গোলাগুলির ঘটনাকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে আখ্যা দিয়ে ইউপিডিএফ এক বিবৃতিতে জানায়, জেএসএস সন্তু গ্রুপের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়ার ন্যায্য দাবিতে সাজেকবাসীর চলমান শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধ কর্মসূচি বানচালের অপচেষ্টার অংশ হিসেবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিজেরা একতরফা গুলিবর্ষণ করেছে।