1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজশাহী নগরীর পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার লন্ডন উৎসবে সেরা সিনেমা ‘ইম্পেরিয়াম’ নান্দনিকের ৪৯ বছর পূর্তিতে নাটক ও সিনেমার প্রদর্শনী ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের সামনে কঠিন সমীকরণ সুদানজুড়ে ড্রোন হামলায় ১৬০ জনের বেশি নিহত, গৃহযুদ্ধে প্রাণহানি ৫৯০০০ বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ নেতৃত্বের রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশের অপেক্ষায় রেহমাত বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকের শাখা খোলার সম্ভাবনা নিয়ে বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ডে’ আয়োজন আগামী বছর থেকে আমেরিকার ‘প্রতিটি শিশুকে’ স্পেসএক্সের একটি করে শেয়ার দেওয়ার ঘোষণা মাস্কের ডলারের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে রিজার্ভ থেকে ২ কোটি ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ডলারের দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে রিজার্ভ থেকে ২ কোটি ডলার বিক্রি করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ Time View

ডলারের বিনিময় হার ১২৪ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাজারে ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে এ ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চলতি অর্থবছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ১ কোটি ১৫ লাখ (১১ দশমিক ৫ মিলিয়ন) ডলার বিক্রি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা দরে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে বিক্রি করা হয়েছে। এর আগে গত সেপ্টেম্বরে প্রতি ডলার বিক্রি করা হয়েছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা দরে। অর্থাৎ এবার আগের তুলনায় প্রতি ডলার ৮৫ পয়সা বেশি দামে বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) এসব তথ্য জানিয়েছেন।

একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা টিবিএসকে বলেন, মূলত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে প্রতি ডলার ১২৪ টাকার বেশি দামে বিক্রি করতে চাইছিল। ব্যাংকগুলো ওই দরে ডলার কিনলে সোমবারই বিনিময় হার ১২৪ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল।

তিনি বলেন, "এমন পরিস্থিতিতে বাজারে হস্তক্ষেপের কৌশল হিসেবে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূল উদ্দেশ্য ছিল ডলারের দাম আরও বেড়ে যাওয়া ঠেকানো।"

ওই কর্মকর্তা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন প্রায় ১০ পয়সা করে ডলারের দাম বাড়ছিল।

রোববার ব্যাংকগুলোতে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৮০ পয়সা। অন্যদিকে, রেমিট্যান্সের ডলার কেনার দর ছিল ১২৩ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৮০ পয়সা।

আরেকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সামনে টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটির কারণেও ডলারের বাজারে কিছুটা চাপ তৈরি হয়ে থাকতে পারে। কারণ ব্যাংকগুলো তাদের নস্ট্রো অ্যাকাউন্টে ডলার ধরে রাখার চেষ্টা করছে।

তিনি জানান, পূজার ছুটির পর পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ পরিশোধের দায় রয়েছে। এ কারণেও ব্যাংকগুলো আগাম ডলার সংরক্ষণে গুরুত্ব দিচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে একটি বার্তা দিয়েছে—ডলারের দাম বাড়তে থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করা হবে।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপাতত ডলারের বিনিময় হার ১২৪ টাকা ছাড়িয়ে যাক, তা চাইছে না। দেশে মূল্যস্ফীতি এখনো উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এ অবস্থায় ডলারের দাম আরও বাড়লে আমদানি ব্যয় বেড়ে মূল্যস্ফীতির ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।

জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিতে ডলারের চাহিদা বেড়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশে ডলারের চাহিদাও বেড়েছে।

তিনি জানান, আগে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল ও সার আমদানি করতে যে অর্থ ব্যয় হতো, এখন একই পরিমাণ পণ্য আমদানিতে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবে গত সেপ্টেম্বরে ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে, যা গত ৫৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টে দেশের পণ্য আমদানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশের বেশি বেড়ে ১ হাজার ২২০ কোটি (১২ দশমিক ২০ বিলিয়ন) ডলারে পৌঁছেছে।

এ সময়ে আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয়ের চেয়ে বেশি হওয়ায় পণ্য বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৮২ কোটি (৩ দশমিক ৮২ বিলিয়ন) ডলার।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১৭ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে ১৭৪ কোটি (১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ