1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অপুর রোমান্টিক ফটোশুট ভাইরাল, যা বললেন অভিনেত্রী টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু, উপাচার্যের শোক দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে জানায়নি সৌদি আরব, ব্যাখ্যা চেয়েছে ঢাকা এক পোর্টালেই মিলবে ট্রেড লাইসেন্স ব্যবসা সহজে এক পোর্টালে ট্রেড লাইসেন্স, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা কমানোর উদ্যোগ বৈশ্বিক এআই ব্যবসার হোঁচটে বড় ক্ষতির মুখে চীনের শেয়ারবাজার আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় নারী ফুটবলের ফাইনালে সংঘর্ষ, যবিপ্রবির ৯ খেলোয়াড় আহত আইসিসির কাছ থেকে ‘সুখবর’ পেলেন সাকিবরা মাস্কোর সতর্কবার্তা: বিশ্বজুড়ে ‘রুশ নাগরিকদের শিকার’ করছে যুক্তরাষ্ট্র ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৮ জেলায় সাড়ে ১৮ হাজার আবেদন

ব্যবসা সহজে এক পোর্টালে ট্রেড লাইসেন্স, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা কমানোর উদ্যোগ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন নবায়ন সব ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক জটিলতা ও হয়রানি কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

ব্যবসায়ীদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ে একক অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান এবং একাধিক সংস্থার সমন্বয়ে যৌথ পরিদর্শন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র নবায়নের নামে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানান তিনি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ের অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত 'ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স অন ডিরেগুলেশন অ্যান্ড বিজনেস ফ্যাসিলিটেশন'-এর প্রথম সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানো, অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ ও বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার গৃহীত উদ্যোগ ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন ও নিরাপত্তা ছাড়পত্র (সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স) নবায়নের বিদ্যমান প্রক্রিয়া নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশি নাগরিকরা বাংলাদেশে কোনো না কোনো বৈধ ও নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ করতে আসেন। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত কর পরিশোধ করে এবং তাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালকরাও দেশের বৈধ নাগরিক। এসব প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব নিয়ে আবেদন ও প্রয়োজনীয় প্রত্যয়ন দেওয়ার পরও নিরাপত্তা ছাড়পত্রের নামে নবায়ন প্রক্রিয়ায় অযৌক্তিক জটিলতা সৃষ্টি করা গ্রহণযোগ্য নয়।

বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমোদন এবং নিরাপত্তা ছাড়পত্র নবায়নের প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনভেদে পৃথক ব্যবস্থায় ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়। এ প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত অনলাইন পোর্টালের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যবস্থা চালু হলে ব্যবসায়ীরা একটি নির্দিষ্ট পোর্টালে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল, আবেদন ও নির্ধারিত ফি পরিশোধের মাধ্যমে ঘরে বসেই ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, লাইসেন্সের মেয়াদ দীর্ঘায়িত করার পাশাপাশি প্রচলিত ট্রেড লাইসেন্সকে 'বিজনেস রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট' বা সমজাতীয় নামে রূপান্তরের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ হওয়ার পাশাপাশি সেবাপ্রাপ্তিতে সময়ক্ষেপণ ও প্রশাসনিক জটিলতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সভায় জানানো হয়, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন অনুমোদন, পারমিট ও লাইসেন্স প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা এবং একাধিক সংস্থার কার্যক্রমে দ্বৈততা দূর করতে প্রাথমিকভাবে পাঁচটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব খাতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা পর্যালোচনা করে অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য খাতেও এ উদ্যোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের ক্ষেত্রেও ব্যবসায়ীদের হয়রানি ও ভোগান্তি কমাতে সমন্বিত পরিদর্শন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ'-এর নেতৃত্বে প্রস্তাবিত এ ব্যবস্থায় ভবন নিরাপত্তা, অগ্নিনিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়সহ সংশ্লিষ্ট একাধিক সংস্থার পরিদর্শন পৃথক সময়ে না করে একই দিনে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যবস্থায় পূর্বনির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইনভেস্ট বাংলাদেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে যৌথ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে একই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সংস্থার বারবার পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তা কমবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সময়, ব্যয় ও প্রশাসনিক ভোগান্তি হ্রাস পাবে বলে সভায় আশা প্রকাশ করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ, অনুমোদন প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারি সেবাপ্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি সেবার স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে অংশ নেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ