1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পূজায় প্রধানমন্ত্রীর রংপুর সফর, নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সিলেট-তামাবিল সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ নিহত ৩ ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন লিটন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি ইসরাইলি দখলদারিত্ব বন্ধে জাতিসংঘের জরুরি পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ গ্রাহকসেবার মান বাড়াতে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কৌশলগত সম্মেলন অনুষ্ঠিত রংপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী অনিমা জামান প্রমা গ্রেপ্তার তায়িজের যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি জেলার নিয়ন্ত্রণ নিল হুতিরা পদত্যাগ করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলি খানম নিজেদের দ্বন্দ্ব ঢাকতেই বিরোধী দল রাজপথে নাটক করছে: রিজভী

মাঠে নামছে বাংলাদেশ, যেভাবে দেখবেন খেলা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। এবার লাল বলের ক্রিকেটের অধ্যায় পেছনে ফেলে সাদা বলের লড়াইয়ে নামার অপেক্ষায় টাইগাররা। জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানকে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। সিরিজের শুরুতেই জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াই থাকবে লিটন দাসের দলের প্রধান লক্ষ্য।

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি। বাংলাদেশে টেলিভিশনে খেলাটি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস। আর অনলাইনে স্পোটর্টসজিফাই, ক্রীড়া টিভি, ক্রিক পিকে-এর মতো থার্ডপার্টি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে খেলা।

দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরছে বাংলাদেশ। সবশেষ গত জুলাইয়ে এই সংস্করণে খেলেছিল টাইগাররা। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৫০ ওভারের ফরম্যাটে আর মাঠে নামা হয়নি তাদের। দীর্ঘ বিরতি শেষে আবারও ওয়ানডেতে ফেরার এই সিরিজ তাই বাংলাদেশের জন্য নিজেদের প্রস্তুতি যাচাই এবং দলীয় সমন্বয় ঠিক করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ের ঘাটতি কাটিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ইতিবাচক শুরু করতে চাইবে দল।

ইনজুরির কারণে আসন্ন সিরিজে পেসার নাহিদ রানাকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তার অনুপস্থিতিতে পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দিতে পারেন তাসকিন আহমেদ। তার সঙ্গে নতুন বলে আক্রমণ সামলানোর দায়িত্বে দেখা যেতে পারে শরিফুল ইসলামকে। বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানও থাকছেন বিবেচনায়। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় পেস বিভাগে বিকল্প হিসেবে হাসান মাহমুদের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। একাদশ নির্বাচনে কন্ডিশন ও বোলারদের বর্তমান ফর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্পিন বিভাগেও রয়েছে একাধিক বিকল্প। আবুধাবির কন্ডিশন বিবেচনায় লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের পাশাপাশি আলিস আল ইসলামের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। সুযোগ পেলে নিজের সামর্থ্য প্রমাণ করতে চাইবেন আলিস। তবে একাদশে তাকে রাখা হবে কি না, তা নির্ভর করবে টিম ম্যানেজমেন্টের কৌশল ও উইকেটের ধরন মূল্যায়নের ওপর। এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজের মতো অভিজ্ঞ অলরাউন্ডারও দলের ভারসাম্য তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার জায়গা হতে পারে ব্যাটিং ইউনিট। ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের উপস্থিতি আক্রমণাত্মক শুরুর আশা জোগাচ্ছে। তবে তার সঙ্গী হিসেবে কাকে দেখা যাবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসানের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। সৌম্যর অভিজ্ঞতা এবং সাইফের ব্যাটিং সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচকদের। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান তোলার পাশাপাশি উইকেট ধরে রাখাও হবে ওপেনারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

টপ অর্ডারে নাজমুল হোসেন শান্তর ভূমিকা হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ। অসুস্থতা কাটিয়ে সর্বশেষ টেস্টে মাঠে ফিরেছেন এই ব্যাটার। ওয়ানডেতেও তাঁর কাছ থেকে দায়িত্বশীল ইনিংস প্রত্যাশা করবে দল। ইনিংসের শুরুতে উইকেট পড়ে গেলে ব্যাটিং সামলানো কিংবা বড় জুটি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শান্তর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তাঁর সঙ্গে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন দাসের ব্যাটিংও বাংলাদেশের ইনিংসের ভিত গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।

অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক হিসেবে লিটন দাসের ওপর থাকবে বাড়তি দায়িত্ব। ব্যাট হাতে বড় ইনিংস খেলার পাশাপাশি মাঠে বোলিং পরিবর্তন, ফিল্ডিং সাজানো এবং চাপের মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে মিডল অর্ডারে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়াতে পারেন। প্রয়োজনের সময় দ্রুত রান তোলা এবং দলের রানকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জায়গায় নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও নিতে হতে পারে তাঁকে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের লক্ষ্য শুধু সিরিজের প্রথম জয় তুলে নেওয়া নয়, বরং দীর্ঘ বিরতির পর ওয়ানডে ক্রিকেটে নিজেদের ছন্দ ফিরে পাওয়াও। ব্যাটারদের দায়িত্বশীলতা, মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার ধারাবাহিকতা এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্স ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে। শুরুতে ভালো ব্যাটিং, মাঝের ওভারগুলোতে কার্যকর স্পিন এবং শেষ দিকে পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং নিশ্চিত করতে পারলে জয়ের সম্ভাবনা বাড়বে বাংলাদেশের।

টেস্টের ড্রয়ের হতাশা পেছনে ফেলে ওয়ানডেতে নতুন করে শুরু করার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারাতে পারলে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার পাশাপাশি দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়বে। তবে সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতা ও বোলিংয়ের কার্যকারিতা, দুই বিভাগেই প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে হবে টাইগারদের।

তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান/সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), মেহেদি হাসান মিরাজ/মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলিস আল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ