1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মার্তিনেসের ঘটনায় কোনো ‘নাটক হয়নি’ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ‘রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র: জরুরি পরিস্থিতির প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার তাগিদ নিয়োগ দিচ্ছে কমিউনিটি ব্যাংক, স্নাতক পাসেই আবেদনের সুযোগ ক্রিকেটে নতুন ফরম্যাট, একই দলে খেলবেন ছেলে-মেয়ে ক্রিকেটাররা ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’, সামাজিক মাধ্যমে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক স্থগিত করলেন ট্রাম্প তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন পূর্বাভাস কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয়ে ছাড় দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ খুলনায় ট্রেনের ধাক্কায় দুই পথচারী নিহত

ফুটবলে এবার ‘ইলেকট্রনিক কার্ড’, সামাজিক মাধ্যমে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

ফুটবল মাঠে প্রচলিত হলুদ ও লাল কার্ডের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রনিক কার্ড ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে উরুগুয়ে। দেশটির ঘরোয়া কাপের একটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের সতর্ক করতে ফোনের মতো দেখতে একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করেছেন রেফারি। নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বৃহস্পতিবার কোপা উরুগুয়ের ম্যাচে নাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো এই যন্ত্র ব্যবহার করেন ম্যাচ রেফারি এদুয়ার্দো ভারেলা। প্রযুক্তিটির লক্ষ্য হলো, রেফারিদের প্রশাসনিক কাজ সহজ করা এবং ম্যাচে শৃঙ্খলাজনিত সিদ্ধান্তগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথিভুক্ত করা।

প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান রেফে’র (আরইএফই) পরিচালক মাউরো সাক্কো শুক্রবার উরুগুয়ের রেডিও এল এসপেকতাদর দেপোর্তেসকে বলেন, ফুটবলের এমন একটি বিষয়কে প্রযুক্তির আওতায় আনার চেষ্টা চলছে, যা এখনো মূলত প্রচলিত অ্যানালগ পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে।

সাক্কো ও তার সহপরিচালক দিয়েগো দে লা পেনা তিন বছরেরও বেশি সময় আগে এই প্রযুক্তির ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করেন। বৃষ্টির মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচ দেখার সময় তাদের মনে প্রশ্ন জাগে, রেফারিরা কীভাবে হাতে লিখে খেলোয়াড়দের সতর্ক করার তথ্য সংরক্ষণ করেন এবং পরে সেগুলো ডিজিটাল ব্যবস্থায় স্থানান্তর করেন। সেই ভাবনা থেকেই তৈরি হয় ইলেকট্রনিক কার্ডের ধারণা।

উদ্ভাবকদের আশা, নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনা ও রেফারির সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে নথিভুক্ত করা যাবে। এতে উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কমেটে আনুষ্ঠানিক ম্যাচ রিপোর্ট জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

প্রথমবার এই কার্ড ব্যবহার করে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করার কথা জানিয়েছেন রেফারি ভারেলা। তবে প্রচলিত কার্ডের মতো দ্রুত তা উঁচিয়ে ধরার মধ্যে আলাদা আকর্ষণ রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। তার ভাষ্য, নতুন প্রযুক্তিটি বিশেষ করে প্রশাসনিক কাজে সহায়ক হবে।

তবে প্রযুক্তিটির দৃশ্যমানতা নিয়ে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আগের একটি পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বন্ধ করতে হয়েছিল, কারণ সূর্যের আলোয় যন্ত্রটির স্ক্রিনের লেখা ও রং স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবারের ম্যাচেও মাঠের গ্যালারি ও টেলিভিশনে খেলা দেখা দর্শকদের জন্য কিছু সিদ্ধান্ত বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। এ সমস্যা সমাধানে যন্ত্রটির চারপাশে এলইডি আলো যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রযুক্তিটির সহ-পরিচালক দে লা পেনা বলেন, প্রকল্পটিতে উন্নতির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তার মতে, মাঠে উপস্থিত দর্শক ও টেলিভিশনে খেলা দেখা উভয় পক্ষের কাছেই কার্ডের রং স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হওয়া জরুরি। হলুদ কার্ডের ক্ষেত্রে হলুদ এবং লাল কার্ডের ক্ষেত্রে লাল রং সহজে শনাক্ত করতে পারার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, উরুগুয়ের ঘরোয়া ফুটবলে নতুন এই প্রযুক্তি নিয়ে অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ প্রচলিত কার্ডের পরিবর্তে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য ও মিম ছড়িয়ে পড়লেও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন সাক্কো।

তিনি বলেন, নতুন উদ্ভাবন গ্রহণ করতে সময় লাগে। তবে মানুষ যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতে ইলেকট্রনিক কার্ড প্রযুক্তিটি লাতিন আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার কাছে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে রেফে’র। প্রযুক্তিটি শেষ পর্যন্ত প্রচলিত কার্ডের বিকল্প হয়ে উঠবে কি না, তা নির্ভর করবে এর কার্যকারিতা, দৃশ্যমানতা এবং ফুটবল কর্তৃপক্ষের গ্রহণযোগ্যতার ওপর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ