২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর শিমুর স্বামী নোবেল ও তার বন্ধু (নোবেল) ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির কার্যক্রম শুরু করবে আদালত।
ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুসরাত জাবীন নিম্মীর আদালতে মঙ্গলবার এই মামলায় সর্বশেষ সাক্ষ্য দেন শিমুর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক প্রজ্ঞা পারমিতা দত্ত; স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত আছেন তিনি।
এই চিকিৎকের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ২৬ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানির দিন রেখেছে আদালত।
ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারি সাইফুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, "মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর মধে ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
২০২২ সালের গত ১৭ জানুয়ারি ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ে এক নারীর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওইদিন রাতেই আঙুলের চাপ শনাক্ত করে শিমুর নাম-পরিচয় জানতে পারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
এ বিষয়ে শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ ১৮ জানুয়ারি শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার (নোবেল) বাল্যবন্ধু ফরহাদের বিরুদ্ধে কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এতে অজ্ঞাত পরিচয়ে আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৯ অগাস্ট কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম নোবেল ও ফরহাদকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। একই বছরের ২৯ নভেম্বর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
মস্তিষ্কের অন্ধকারে আলোর ঝলক: ২০২৬ সালের চিকিৎসাশাস্ত্রের নোবেল
কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দায়িত্ব নেবে কে?
রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ: দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের সমীকরণ ও বৈশ্বিক বাস্তবতা