১৯৩৪ সালে জন্ম নেওয়া এই ব্যবসায়ী দেশের নৌপরিবহন অবকাঠামো বিকাশে ভূমিকা রাখেন এবং স্থানীয় ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক কোম্পানির মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে কাজ করেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
এমজিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান এম গাজিউল হক মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সোমবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে এমজিএইচ গ্রুপ। বাদ মাগরিব রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৩৪ সালে জন্ম নেওয়া এম গাজিউল হক দেশের নৌপরিবহন অবকাঠামো বিকাশে ভূমিকা রাখেন এবং স্থানীয় ব্যবসা ও আন্তর্জাতিক কোম্পানির মধ্যে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে কাজ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ব্রিটিশ কোম্পানি বার্ড অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডে কর্মজীবন শুরু তার। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৭৬ সালে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন। তখন প্রতিষ্ঠানটি বার্ডস বাংলাদেশ লিমিটেড নামে পরিচালিত হত।
১৯৮০ সালে ওই প্রতিষ্ঠান ছেড়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন গাজিউল হক। চট্টগ্রামভিত্তিক নৌপরিবহন কোম্পানি অ্যাকোয়ামেরিন লিমিটেডে অংশীদার হিসেবে যোগ দেন তিনি।
এর এক দশক পর তার অংশীদারের সঙ্গে মিলে কোপেনহেগেনভিত্তিক নৌপরিবহন প্রতিষ্ঠান মার্স্ক লাইনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মার্স্ক বাংলাদেশ লিমিটেড গঠন করেন। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
নৌপরিবহনের পাশাপাশি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং, আমদানি-রপ্তানি, বিপণন, ব্যাংকিং, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও যৌথ উদ্যোগসহ বিভিন্ন খাতে তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ছিল।
ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে ১৯৯৩ সালে যোগ দেন তিনি। এরপর দীর্ঘসময় ব্যাংকটির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০ থেকে ২০০৬ সাল এবং ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে ইস্টার্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।
১৯৯২ সালে তার ছেলে আনিস আহমেদ এমজিএইচ গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। গাজিউল হকের আদ্যক্ষর থেকে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়। বাংলাদেশভিত্তিক একটি ব্যবসা হিসেবে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি পরে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বহুজাতিক ব্যবসায়িক গ্রুপে পরিণত হয়।
বর্তমানে ২৬টি দেশে এমজিএইচ গ্রুপের লজিস্টিকস, এভিয়েশন, ভ্রমণ, ভোগ্যপণ্য, স্বাস্থ্যসেবা, মোবিলিটি, আতিথেয়তা, অর্থায়ন ও বিমাসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবসা রয়েছে।
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: আমাদের কালের কাঙাল হরিনাথ
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: কঠোর সম্পাদকের আড়ালে স্নেহশীল অভিভাবক
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: এই ‘যাওয়া তো নয় যাওয়া’
তৌফিক ইমরোজ খালিদী: শিল্পানুরাগী এক অনন্য আতিথেয়তার মানুষ