1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফেরদৌসীর পদত্যাগ বিএনপি নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিচ্ছে নারী ক্রিকেটের সংস্কার কি শুধু মানুষ বদলেই সীমাবদ্ধ? উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয় কলেরা সংক্রমণে বাংলাদেশ সপ্তম, আক্রান্তদের অর্ধেকের বয়স ৫ বছরের কম ছুটির দিনে এক কাপেই কফি উদযাপন এনসিটির পর এবার সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশি অপারেটরদের হাতে, দায়িত্ব পাচ্ছে সৌদির আরএসজিটিআই মেসিকেই সর্বকালের সেরা মানেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ কমানোর আইনে ছাড় দিচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয় বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায় প্রথম প্রান্তিকে আয় ১ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬.৩৪ শতাংশ

ছুটির দিনে এক কাপেই কফি উদযাপন

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

১ অক্টোবর ছিল আন্তর্জাতিক কফি দিবস। আর সেটা উদযাপনে ছুটির দিনটি হতে পারে যথাযথ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

ছুটির দিন মানেই ঘুম থেকে উঠে তাড়াহুড়া নয়। বরং সকালের সময়টা একটু ধীরে কাটানো যায়, গল্প করা যায়, বইয়ের পাতা ওলটানো যায় বা নিজের জন্য কিছুটা নিরিবিলি সময় রাখা যায় এক কাপ কফির সঙ্গে।

জাতিসংঘ এ দিবসে কফির সঙ্গে যুক্ত কৃষক, শ্রমিক ও পুরো উৎপাদন ব্যবস্থায় যুক্তদের অবদানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

ছুটির দিনে কফির কাপে চুমুক দিতে পরিচিত আয়োজনটি হতে পারে বন্ধুদের সঙ্গে। তবে এবার শুধু কফি পান করে ফিরে না এসে, আড্ডা একটু ভিন্নভাবে সাজানো যায়।

প্রত্যেকে নিজের পছন্দের কফি বেছে নেওয়ার পাশাপাশি, অন্য বন্ধুর কাপে থাকা কফিও একটু পরখ করা যেতে পারে। যেন পরেরবার কোন ধরনের কফি নিজের জন্য বেছে নেওয়া হবে, সেটার সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

বন্ধুদের নিয়ে চাইলে ‘কফি স্মৃতি’ আয়োজনও করা যায়। প্রত্যেকে জীবনের এমন একটি ঘটনা আড্ডার বিষয় হতে পারে, যার সঙ্গে কোনও কফির স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

কারও প্রথম চাকরির সাক্ষাৎকারের আগে কফি পানের গল্প থাকতে পারে, কারও প্রথম ভ্রমণের স্মৃতি, আবার কারও প্রিয় মানুষের সঙ্গে প্রথম দেখা।

এতে সাধারণ আড্ডাও হয়ে উঠতে পারে স্মৃতিচারণের ছোট্ট আয়োজন।

সঙ্গীর সঙ্গে গেলে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই। বরং এমন জায়গা বেছে নেওয়া যায় যেখানে দীর্ঘ সময় বসে কথা বলা যায়। মুখোমুখি বসার বদলে জানালার পাশে পাশাপাশি বসলে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে গল্প করা যায়।

দুজন চাইলে একই ধরনের কফি না নিয়ে ভিন্ন দুটি কফি নেওয়া যায়। সঙ্গে যোগ করা যায় মিষ্টি খাবার বা হালকা নাস্তা। এতে কফির সময় হয়ে উঠতে পারে একান্ত।

আরও ভিন্নতা চাইলে একটি ‘কফি তালিকা’ তৈরি করা যায়। কোন কফি ভালো লেগেছে, কোনটির স্বাদ কেমন, কোন কফিশপের পরিবেশ ভালো— এসব নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

আর সামনের দিনে নতুন নতুন কফিশপ ঘুরে দেখারও একটি কারণ তৈরি হবে।

কফিশপে যাওয়ার জন্য সবসময় সঙ্গে কাউকে প্রয়োজন হয় না। বরং একা কফি পানের অভ্যাস অনেকের জন্য নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর সুন্দর সুযোগ হতে পারে।

ছুটির দিনে পছন্দের একটি বই সঙ্গে নিয়ে বের হওয়া যায়। এমন একটি টেবিল বেছে নেওয়া যায়, যেখানে আলো ভালো, শব্দ তুলনামূলক কম এবং বেশ কিছুক্ষণ আরামে বসা যায়।

কেউ চাইলে কফির সঙ্গে নিজের জন্য একটি লেখার খাতা রাখতে পারেন। সেখানে ছুটির দিনের অনুভূতি, পরের মাসের পরিকল্পনা বা পড়তে চাওয়া বইয়ের তালিকা লেখা যায়।

মোবাইল ফোন কিছু সময়ের জন্য পাশে রেখে শুধু কফি, বই আর নিজের সঙ্গে থাকা— এটিও হতে পারে কফি দিবস উদযাপনের একটি ভিন্নধর্মী পদ্ধতি।

আর ছবি তুলতে ভালোবাসলে কফির কাপ, টেবিলের ওপর বই, জানালার বাইরের দৃশ্য বা কফি তৈরির মুহূর্ত নিয়ে নিজের মতো ছোট গল্প তৈরি করা যেতেই পারে।

কফিশপে ঢুকে প্রথমেই সুন্দর টেবিলটি বেছে নেওয়ার বদলে, নিজের উদ্দেশ্য অনুযায়ী জায়গা নির্বাচন করা ভালো। দীর্ঘ আড্ডার জন্য তুলনামূলক প্রশস্ত টেবিল সুবিধাজনক।

সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটাতে জানালার পাশের আসন ভালো হতে পারে। বই পড়তে চাইলে অপেক্ষাকৃত নিরিবিলি কোণ বেছে নেওয়া যায়।

বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার পরিকল্পনা থাকলে আলো ভালো আসে এমন জায়গা বেছে নেওয়া যেতে পারে। আর একা বসে কাজ বা পড়াশোনা করতে চাইলে এমন টেবিল ভালো, যেখানে মানুষের চলাচল কম এবং বসার জায়গাটি আরামদায়ক।

কফিশপের ছাদ, খোলা বারান্দা বা জানালার পাশের জায়গাও আলাদা অভিজ্ঞতা দিতে পারে।

কফির সঙ্গে খাবার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও একটু বৈচিত্র্য আনা যায়। মিষ্টি কফির সঙ্গে মিষ্টি খাবার ছাড়াও হালকা নোনতা খাবার নেওয়া যেতে পারে।

আবার কালো বা দুধ ছাড়া কফির সঙ্গেও মিষ্টি খাবারের স্বাদ ভালোভাবে উপভোগ করা যায়।

কেক, বিস্কুট, পেস্ট্রি, স্যান্ডউইচ, পনিরের তৈরি হালকা খাবার বা বাদামজাতীয় খাবার কফির সঙ্গে ভালো যায়। তবে শুধু কফি পানের পর ক্ষুধা লাগলে পরিমিত কিছু খাবার খাওয়া ভালো, যার মধ্যে থাকতে পারে স্যুপ, পাস্তার মতো খাবার।

কফি দিবসে শুধু কফি পান না করে ‘কফি ভ্রমণ’ করা যায়। একই দিনে দুই বা তিনটি কফিশপে গিয়ে আলাদা ধরনের কফি চেখে দেখা যেতে পারে।

তবে প্রতিটি জায়গায় বড় কাপ নেওয়ার বদলে ছোট পরিমাণে নেওয়া ভালো, যাতে অতিরিক্ত ক্যাফিন গ্রহণ করা না হয়

আরেকটি মজার আয়োজন হতে পারে ‘নিজের কফি নির্বাচন’। বন্ধুরা কয়েকটি ভিন্ন ধরনের কফি নিয়েও ভিন্নতার স্বাদ নিতে পারেন।

চাইলে কফির সঙ্গে পোশাকেরও মিল করা যেতে পারে। বাদামি, ক্রিম, সাদা, কালো বা কফির রংয়ের পোশাক পরে ছবি তোলা যেতে পারে।

আবার কফির কাপের সঙ্গে একই রংয়ের বই, ফুল বা ছোট কোনও সামগ্রী রেখে ছবি তুলে তৈরি করা যায় ছুটির দিনের নিজস্ব স্মৃতি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ