1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের রিটেইল ব্যবসা অধিগ্রহণে আগ্রহী আরও দুই ব্যাংক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি দিলো আইএফআইসি ব্যাংক চাঁদাবাজি ও দখলদারির সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয়: নজরুল ইসলাম খান বেন স্টোকসের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বোর্ডের বাধা বিমান বাহিনীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এশিয়ান গেমসে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশ শিবিরে দুঃসংবাদ সেই হ্যারিসের গোলেই আবার হারল বাংলাদেশ বাংলাদেশি পাটপণ্যে নতুন করে শুল্ক আরোপ করল ভারত পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে মিলেছে ২০ ককটেল ও পেট্রোলবোমা: এসআরবি দুদিন ধরে অবরুদ্ধ সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১৪ শিক্ষক, ইন্ধনের অভিযোগ

দুদিন ধরে অবরুদ্ধ সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ১৪ শিক্ষক, ইন্ধনের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ Time View

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বদলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বদলে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলনের দ্বিতীয় দিনেও সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি চলছে।

আন্দোলনে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানের ইন্ধন রয়েছে বলে কলেজের একটি পক্ষ অভিযোগ করেছেন। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ।

রোববার বেলা ১১টা থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন সোমবার রাতেও অব্যাহত রয়েছে। কলেজের প্রশাসনিক ভবনে অধ্যক্ষ, ১৪ শিক্ষকসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারী অবরুদ্ধ হয়ে আছেন।

আন্দোলনে ইন্ধনের অভিযোগ অস্বীকার করে রাত ৯টার দিকে অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি সরকারি কর্মকর্তা, যেখানে কলেজকে দেওয়া হবে আমি সেখানেই যাব।

“অবরুদ্ধের খবর পেয়ে বিকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক ক্যাম্পাসে এসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছেন। আশা করছি দ্রুত অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হব আমরা।”

গতকাল থেকে বাইরে থেকে খাবার আনিয়ে জানালার দিয়ে ভেতরে নিয়ে খাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষক-কর্মকর্তারা বলেন, অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামান সিলেট ছাড়তে চান না। ছাত্রদের এই আন্দোলনে তার সম্মতি আছে, উনি চাচ্ছেন সিলেটে থাকতে। সোমবার নতুন অধ্যক্ষ অনলাইনে যোগদান করেছেন, মন্ত্রণালয় তা গ্রহণ করেছে। তাই সেটি আর সম্ভব হচ্ছে না।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আমরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি। তাদের সব দাবি-দাওয়া শোনার পর বলেছি, এগুলো মেনে নেওয়া হবে।

“কিন্তু শিক্ষার্থীরা বলে বসে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামানের বদলি আদেশ বাতিল করার জন্য। শিক্ষার্থীদের বলেছি, মন্ত্রণালয় অধ্যক্ষকে বদলি করেছে, সেটি আমরা কীভাবে বাতিল করব?”

কলেজ প্রশাসন জানায়, ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্নাতক পর্যায়ের প্রকৌশল কলেজের তিনটি বিভাগে পাঁচটি ব্যাচে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। আর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন। শিক্ষার্থীদের দাবি, কলেজটির একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন নিতে হবে।

প্রশাসনিক ভবনের ফটকে বাইরে থেকে তালা দিয়ে সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা নানা স্লোগান দিচ্ছেন। তাদের স্লোগানের মধ্যে রয়েছে, ‘এক দুই তিন চার, কারিগরি আমায় ছাড়’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘কারিগরির দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকায় তাদের ‘বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং’ ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন সত্ত্বেও মন্ত্রণালয় আশানুরূপ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বরং প্রশাসনিক কালক্ষেপণে তাদের একাডেমিক জীবন অনিশ্চয়তায় পড়ছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, উচ্চতর এই ডিগ্রির মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্তির প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।

কর্মসূচি চলাকালে বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনে অধ্যক্ষ আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করেছে।

তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, আমাদের এক দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন চলছে। কারিগরি অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্তিই একমাত্র লক্ষ্য। পাশাপাশি আন্দোলন চলাকালে অধিদপ্তর বা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো ধরনের আদেশ বা রদবদল গ্রহণযোগ্য হবে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদেরও অবরুদ্ধ থাকতে হবে।

মদিনার মিষ্টান্ন, শ্রী ঘোষের দধি: সম্প্রীতির যে রেখা চোখে পড়ে না

ডিজিটাল কলোনিয়ালিজম: আত্মপরিচয়ের সংকট ও লিঙ্গভিত্তিক সংঘাত

রাড্ডাকাণ্ড: আট মাস না পেরোতেই বড় প্রশ্নের মুখে বিএনপি

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: অনুকম্পা নয়, সুযোগ কাজে লাগানোর সময় এখনই

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ