1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাপানে বিবর্ণ দিন বাংলাদেশের বিকল্প ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজের উদ্বোধন আদাবরে জমি নিয়ে বিরোধে ভবনে হামলা, গেটে চাপাতির কোপ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: বিএনপি-জামায়াতসহ ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল অস্কারে যাচ্ছে সুমনের ‘রইদ’ বীরগঞ্জে অগ্রদূত ক্লাব ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত বাংলা কিউআর লেনদেনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে সময়সীমা বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছে চীনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিম্ন ও মধ্যবিত্তের আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন চুক্তির মেয়াদ শেষ হলো না ইমরানের, পরিবর্তে নারী দলের কোচ ডেভিড হ্যাম্প

নাতনির সঙ্গে ৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২০ Time View

বয়স যে কেবলই একটি সংখ্যা, সেটিই যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন চিলির ইভোনে ভিলদোসোলা। ৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন এই প্রবীণ ব্যাটার। আরও বিশেষ ব্যাপার যে ম্যাচে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক, সেই ম্যাচেই চিলির নারী ক্রিকেট দল ‘লাস লোইকাস’এর অধিনায়ক ছিলেন তার ১৬ বছর বয়সী নাতনি ক্যামিলা ওয়ারসে।

কোস্টারিকার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে চিলির হয়ে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামেন ভিলদোসোলা। অভিষেক ম্যাচে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হলেও তার উপস্থিতিই ছাপিয়ে গেছে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকে।

৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করে ভিলদোসোলা গড়েছেন অনন্য রেকর্ড। তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে অভিষেক করা খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড গড়েছেন। সামগ্রিক পেশাদার ক্রিকেটের ইতিহাসেও তার চেয়ে বেশি বয়সে অভিষেকের নজির খুবই বিরল। ১৯৫০-৫১ মৌসুমে ৭২ বছর বয়সে ভারতের রাজা মহারাজ সিং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন।

ভিলদোসোলার ক্রিকেটযাত্রা অবশ্য খুব বেশি পুরোনো নয়। ২০১৯ সালে চিলির নিউবলে অঞ্চলে ‘লাস লোইকাস’ আয়োজন করেছিল একটি ‘মা-মেয়ে’ ক্রিকেট ইভেন্ট। তৎকালীন চিলি অধিনায়ক জ্যানেট গার্সেসের উদ্যোগে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে ১৬ বছর বয়সী নাতনি ক্যামিলার অনুরোধে মাঠে উপস্থিত হয়েছিলেন ভিলদোসোলা।

তখনও ক্রিকেট নিয়ে তার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। ভেবেছিলেন, নাতনির বন্ধুদের জন্য রান্না করতেই হয়তো যেতে হবে। কিন্তু প্রথমবার ব্যাট হাতে নেওয়ার পরই বদলে যায় সেই ধারণা। মেয়ে লরেতো ও নাতনি ক্যামিলার অনুপ্রেরণায় এরপর নিয়মিত ক্রিকেট অনুশীলন শুরু করেন তিনি।

নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিলদোসোলা বলেন, তার যৌবনের সময়ে বাস্কেটবল, ভলিবল কিংবা ফুটবল খেলাই ছিল বেশি প্রচলিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো দূরের কথা, কোনো খেলাতেই পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ার কথা তিনি ভাবেননি। তবে শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকার আগ্রহ থেকেই খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন তিনি। তার কাছে জয়ের চেয়ে অংশগ্রহণই ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বয়সের কারণে দলের তরুণ সতীর্থদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয় বলেও মজা করে জানিয়েছেন ভিলদোসোলা। তিনি বলেন, জয়েন্টের সমস্যার কারণে বোলিং করতে পারেন না, তাই ব্যাটিংই তার পছন্দ। তবে নিজের নাতনির অধিনায়কত্বে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগকে তিনি গর্ব ও মর্যাদার বিষয় হিসেবে দেখছেন।

নাতনি ও চিলিয়ার অধিনায়ক ক্যামিলা ওয়ারসের কাছেও অভিজ্ঞতাটি ছিল ব্যতিক্রমী। তিনি বলেন, তার নানি সবসময়ই চঞ্চল ছিলেন, কিন্তু কখনো ভাবেননি যে একদিন তিনি নানির সঙ্গে একই দলের সতীর্থ হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন। মাঠে নানির উপস্থিতি দলের অন্য খেলোয়াড়দের জন্যও বড় অনুপ্রেরণা বলে মনে করেন ক্যামিলা।

নানিকে মাঠে নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি কিছুটা অদ্ভুত লাগলেও নাতনির কাছে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতাটি ছিল অসাধারণ আনন্দের।

চিলির স্থানীয় একটি পাখির নাম থেকে ‘লাস লোইকাস’ নামটি নেওয়া হয়েছে। সেই দলের জার্সি গায়ে ৭০ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভিলদোসোলার অভিষেক যেন আরও একবার মনে করিয়ে দিল খেলার প্রতি ভালোবাসা থাকলে বয়স কখনোই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ