এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেট শেষ না হতেই বাংলাদেশ নারী দলের হেড কোচ ও অধিনায়ককে নিয়ে নানা নেতিবাচক কথাবার্তা। আগের গেমসে নারী ক্রিকেটে ব্রোঞ্জ পাওয়া বাংলাদেশ এবার শূন্য হাতে ফিরেছে। তামার পদকের লড়াইয়ে পাকিস্তানের কাছে হারেই শূন্য হাতে ফিরে আসা নিগার সুলতানা জোতি, নাহিদা আক্তার, দিলারা আক্তার, শাহানা মুসতারি, ফাহিমাদের।
এমনিতেই উন্নতি নেই। বরং দিনকে দিন পারফরম্যান্সের অবনমন ঘটেছে। এর আগে এশিয়া কাপেও পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। পরিণতিও হয়েছে খারাপ। তারপরই এশিয়ান গেমসে পদকশূন্য; অবস্থানচ্যুতির কারণে সমালোচনাও হয়েছে তীব্র।
নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার না করে হেড কোচ সারোয়ার ইমরান উল্টো নারী উইংয়ের দিকে আঙুল তুলে আরও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। নারী উইং তথা বোর্ডের রোষানলেও পড়েছেন।
গেমস ক্রিকেট শেষ হতেই হেড কোচ সারোয়ার ইমরান বলে বসলেন, খেলা শুরুর আগে ও মাঝপথে কোচ ও ক্যাপ্টেনকে চাপে রাখলে পারফরম্যান্স ভালো হবে কী করে? কোচের এমন মন্তব্য গরম কড়াইতে তেল ঢালার মতোই ছিল। এতে করে ওমেন উইং থেকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়। সত্যি কথা হলো, ওমেন উইং থেকে অমন কোনো মন্তব্যও করা হয়নি।
তবে এটা সত্য যে, যেহেতু আগামী ৩০ অক্টোবর সারোয়ার ইমরানের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই ওমেন উইং ভেতরে ভেতরে তার বদলে অন্য কোচের সন্ধানে ছিল এবং বার্মুডার ডেভিড হ্যাম্পের সঙ্গে চূড়ান্ত কথাবার্তাও হয়েছে সম্পন্ন। সেই কথাটিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসায়, তা নোটিশ করেছেন হেড কোচ সারোয়ার ইমরান। এবং খেলা শেষে আকার-ইঙ্গিতে তিনি ওমেন উইংয়ের ওপরই দোষ চাপিয়েছেন। বলেছেন, কোচ ও ক্যাপ্টেনকে চাপে রাখলে কি ভালো খেলা সম্ভব?
ওমেন উইং তথা বিসিবি যা মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। এবং তাৎক্ষণিকভাবে সারোয়ার ইমরানকে কারণ দর্শানোর কথা জানানো হয়।
তবে যেহেতু তিনি বাংলাদেশ পুরুষ দলের প্রথম টেস্ট কোচ এবং দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে তার অবদান ও ভূমিকা আছে। তাই বিসিবিও সারোয়ার ইমরানের বিপক্ষে অফিসিয়ালি কোনো রকম অ্যাকশনে না গিয়ে তার বদলে ভিনদেশি ডেভিড হ্যাম্পকে নারী দলের হেড কোচ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।