1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আ.লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতার বাড়িতে গুলির অভিযোগ অ্যাভেঞ্জার্সের সঙ্গে বাংলাদেশে স্ট্যাথামের ‘মিউটিনি’! মিসবাহর ‘দ্রুততম সেঞ্চুরি’র রেকর্ড ভাঙলেন শাহজাদ বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ ক্রয় নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট চরফ্যাশনে স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগ—বরিশাল থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে হারল বাংলাদেশ ছন্দহীন ফুটবল, আসিয়ান কাপে শুরুটা বিবর্ণ হল বাংলাদেশের বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ৫০ চ্যাম্পিয়ন ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি রানার্স আপ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন গৌরবের মাইলফলক: ডা. শফিকুর

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন গৌরবের মাইলফলক। স্বীকৃতি অর্জনের চেয়ে তা ধরে রাখা এবং এর মর্যাদা রক্ষা করা আরও কঠিন। অ্যাক্রেডিটেশন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নগরীর আমান উল্লাহ কনভেনশন হলে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, কিছু মানুষের সাহসী উদ্যোগের ফলে সিলেটে শুধুমাত্র নারীদের জন্য এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সুযোগ হয়েছিল। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটি আজ দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্বীকৃতি অর্জন করেছে। নারীদের বিশ্বমানের চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি বৃহত্তর সিলেটের মানুষের চিকিৎসাসেবায়ও প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র আটটি প্রতিষ্ঠান অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন করেছে। এর মধ্যে সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অন্তর্ভুক্তি অত্যন্ত গৌরবের। এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টার ফল নয়। গভর্নিং বডি, অধ্যক্ষ, শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত পরিশ্রম এবং ত্যাগের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে যারা এর অগ্রযাত্রায় অবদান রেখেছেন, তাদের সবার অবদান এই অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতাদের হলেও এটি এখন সিলেটবাসীর গৌরবের প্রতিষ্ঠান।

তিনি আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের পর দায়িত্ব আরও বেড়েছে। চিকিৎসা শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি রোগীদের সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান থেকে দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন চিকিৎসক তৈরি হবে এবং তারা মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবেন-এটাই প্রত্যাশা।

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শাহানা ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী অধ্যাপক ডা. হোসাইন আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, হলি সিলেট হোল্ডিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহিম কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন ও মো. ফখরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অধ্যাপক ডা. ওয়েছ আহমদ চৌধুরী, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ও উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এবং উদ্যোক্তা পরিচালক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. তহুর আব্দুল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মাওলানা জাদুল আহমদ।

এদিকে এর আগে অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর বর্ণাঢ্য র‌্যালি, কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসুচীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী।

পরে আমান উল্লাহ কনভেনশন হলে আলোচনা সভা এবং মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ