1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এক সদস্যের পর্ষদ, নিয়মিত এমডি ছাড়াই চলছে ইসলামী ব্যাংক আবারও হবে ভারত-জাপান ক্রিকেট ম্যাচ? নেতৃত্ব শূন্যতায় ধুঁকছে ইসলামী ব্যাংক বিএনপি সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে: এইচআরডব্লিউ বিএনপি নেতার চাঁদা দাবিতে দুই সড়কের কাজ বন্ধ, তদন্ত কমিটি গঠন খালেদকে ‘পেশাদারিত্বের মানে বুঝাচ্ছে’ কাউন্টি ক্রিকেট জাতিসংঘে প্রথম দিনে ১০ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী, পেলেন ৩ দেশ সফরের আমন্ত্রণ জাতিসংঘের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে গেছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী রায় নিয়ে মন্তব্যের অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে হাজির আইনজীবী

খালেদকে ‘পেশাদারিত্বের মানে বুঝাচ্ছে’ কাউন্টি ক্রিকেট

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭ Time View

কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্ট ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমে শুধু বল হাতেই আলো ছড়াচ্ছেন না, মাঠের বাইরের জীবন আর খেলার সংস্কৃতি থেকেও প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার খালেদ আহমেদ। দুবাইভিত্তিক ক্রিকেট ওয়েবসাইট দ্য ক্রিকহাব-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানিয়েছেন, কাউন্টির এই আবহ তাকে পেশাদারিত্বের এক নতুন রূপ দেখাচ্ছে।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ১৮টি টেস্ট খেলা ৩৪ বছর বয়সী এই পেসার জানান, ইংল্যান্ডের কাউন্টিতে খেলা তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল। কেন্টের হয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল বড় কোনো মঞ্চে, বিশেষ করে কাউন্টিতে খেলার। অবশেষে সেই স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। পরিবেশটা ভীষণ উপভোগ করছি।’

বাংলাদেশের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সঙ্গে কাউন্টির তুলনা করতে গিয়ে খালেদ দর্শকদের উপস্থিতির বিষয়টি আলাদাভাবে উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণির ম্যাচ দেখতে তেমন কেউ মাঠে আসে না। কিন্তু কেন্টের হয়ে খেলার সময় দেখেছি—ছোট-বড় সব বয়সের সমর্থকরা মাঠে এসে গলা ফাটাচ্ছে। ক্রিকেটকে তারা নিজেদের মনে করে, যা খেলাটাকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলে।’

তবে মাঠের ক্রিকেটের চেয়েও আত্মনির্ভরশীলতার চর্চাটা খালেদের নজর কেড়েছে বেশি। তিনি জানান, সেখানে ক্রিকেটারদের প্রতিটি কাজ নিজেদেরই করতে হয়। খালেদের ভাষায়, ‘বাংলাদেশে থাকলে অনেক কাজের জন্যই অন্যদের ওপর নির্ভর করা যায়। কিন্তু এখানে ফিটনেস আর ডায়েটের যত্ন নিজেকেই নিতে হয়। নিজের কাপড় ধোয়া, কিটব্যাগ টানা, এমনকি দিনশেষে নিজের রান্নাও নিজেকেই করতে হচ্ছে। এ জিনিসগুলোই আসলে পেশাদারিত্বের আসল মানে বুঝিয়ে দিচ্ছে।’

মাঠের ভেতরে কোচদের ভূমিকা নিয়েও কথা বলেছেন এই পেসার। তিনি জানান, ম্যাচ শুরুর আগে কোচরা সব বুঝিয়ে দিলেও খেলা চলাকালে খেলোয়াড়দের নিজেদের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হয়। এছাড়া ড্রেসিংরুমের বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ, অধিনায়ক ড্যানিয়েল বেল-ড্রুমন্ড এবং কোচ অ্যাডাম হোলিওকের আন্তরিকতা তাকে খুব দ্রুত দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ