1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় দিল্লি: জয়সওয়াল চাঁদপুরে কৃষি ব্যাংক সরানো নিয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ, পুরনো কার্যালয়ে তালা! সিলেট বেতার কেন্দ্রের ভেতর থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অপরিণামদর্শী ও স্থিতিশীলতার অন্তরায়: আইপিডি দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ‘লড়াই হেরে’ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় উডের বিশ্ব পাঁচের চেয়েও অনেক বড়: এরদোয়ান

ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় দিল্লি: জয়সওয়াল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

বর্তমান কাঠামোগত ব্যবস্থার মধ্যেই ভারত সমস্ত দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত, বলেন তিনি।

ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্কের গতিপথ নিয়ে আগেও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বলে জানিয়েছে ভারত।

দিল্লি বলেছে ঢাকার সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক এবং ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় তারা।

মঙ্গলবার নয়া দিল্লিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাই কমিশনার করার যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে, তাতে ভারতের সায় মিলেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট গত সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে লিখেছিল, দিল্লিতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাই কমিশনার হিসেবে সিয়ামের নিয়োগে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিতে দেরি করছে ভারত।

এর মধ্যেই তার বিষয়ে ভারতের সম্মতি পাওয়া গেল।

একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম পরবর্তী হাই কমিশনার পাঠানোর কথা বলেছে বাংলাদেশ। এমন এক সময়ে তাকে দিল্লি পাঠানো হচ্ছে যখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

হাই কমিশনার হিসেবে সিয়ামকে পাঠানো কি দুই দেশের সম্পর্ক আবার সঠিক পথে ফেরার কোনো ইঙ্গিত বহন করে?

জবাবে জয়সওয়াল বলেন, বর্তমান কাঠামোগত ব্যবস্থার মধ্যেই ভারত সমস্ত দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। এটাই ভারতে উদ্দেশ্য। ভারত এই সম্পর্ককে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী উপায়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

বিএনপির নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের আলোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুই দফা ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানায় নরেন্দ্র মোদীর সরকার।

তবে ভারতে অবস্থান করা ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, সেখানে তার রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়।

এ বিষয়ে আরেকজন সাংবাদিক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে সংবাদমাধ্যমের অনেক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে তিনি নভেম্বর মাসে ভারত সফর করতে পারেন। এর আগে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরের জন্য তিন শর্ত দিয়েছিল।

ওই সাংবাদিক জানতে চান, বাংলাদেশ কি এ বিষয়ে কোনো চিঠি দিয়েছে, নাকি সব শর্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে?

এছাড়াও নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তুলে ধরে ওই সাংবাদিক জানতে চান, সেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা কোনো প্রতিনিধি দলের সদস্যের সঙ্গে তার বৈঠকের কোনো সম্ভাবনা আছে কিনা।

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে এ মুহূর্তে কোনো তথ্য নেই। কোনো তথ্য থাকলে পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

বুদ্ধির মুক্তি: একশ বছর পরও যে প্রশ্নগুলো আমাদের তাড়া করে

আজকের পৃথিবীর জন্য ঈদুল আজহার যে পাঠ আমাদের নিতে হবে

ববিতার একুশে পদক: স্বীকৃতির চেয়ে বড় যে প্রশ্নগুলো

শেখ হাসিনার ‘ফিরে আসা’র আড়ালে যে প্রশ্নগুলো ঢাকা পড়ে যাচ্ছে

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ