জিটুজি প্লাসের আওতায় মালয়েশিয়া যাচ্ছেন আরও ১৩২ জন বাংলাদেশি। বুধবার (১৫ মার্চ) রাতে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তারা। এর আগে, গত শুক্রবার প্রথম ধাপে মালয়েশিয়া যান ৯৮ বাংলাদেশি। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘদিন পরে আবারও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হলো।
জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন জাগো নিউজকে জানান, “বুধবার রাত ৮টায় ইউএস-বাংলার একটি ফ্লাইটে ১০০ জন ও বাংলাদেশ বিমানের অপর একটি ফ্লাইটে ৩২ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে।”
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটির) মহাপরিচালক সেলিম রেজা জাগো নিউজকে বলেন, দ্বিতীয় ধাপে কর্মী যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে আবারও পরবর্তী ধাপের শ্রমিক পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে বায়রা মহাসচিব বলেন, আগামী ২০ মার্চ আরও একশ’র মতো কর্মী মালয়েশিয়া যাবে।
২০০৭ সালে কলিং ভিসা চালুর পর ২০০৯ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত সরকারি হিসাব মতে সোয়া ৮ লাখ কর্মী যাবার পর মালয়েশিয়ার লেবার মিনিস্ট্রি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করে। এরপর সরকারিভাবে শ্রমিক পাঠাতে জিটুজি চুক্তি করে সরকার। কিন্তু সে প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী যেতে ব্যর্থ হয়। এরপরে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিকে যুক্ত করে ‘জিটুজি প্লাস’ পদ্ধতিতে শ্রমিক নিচ্ছে মালয়েশিয়া।
বায়রা মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন জানান, জিটুজি প্লাস পদ্ধতিতে যাওয়া কর্মীর জন্য তিন বছর কাজের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে কর্মীরা নবায়নের মাধ্যমে ও নিয়োগকর্তা চাইলে ১০ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন।