1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে চাকরি পেলেন আজন্ম দৃষ্টিহীন রাবি শিক্ষার্থী রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দেখে নিন ঘরের মাঠের সাফে বাংলাদেশের খেলা কবে-কখন ফোর্বসের বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় ব্র্যাক ব্যাংক নোয়াখালী জেলা যুবলীগের সভাপতি ইমন গ্রেপ্তার বাঁধনের বাসায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, রাষ্ট্রের পাশে থাকার আশ্বাস | Boishakhi Online শাহজাদপুরে নার্সিং ও ডেন্টাল কলেজ করার উদ্যোগ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী | খবর মন্ত্রীর ঘোষণার পরও অগ্রিম কর পরিশোধের প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন যে কারণে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের কোন সংকট হবে না: বিপিসি চেয়ারম্যান শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে ইমিগ্রেশন আধুনিকায়নে ৪৯.৪৯ কোটি টাকার প্রকল্প

ওবামার চোখে পানি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১১ জানুয়ারি, ২০১৭
  • ৯০ Time View

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আজ তার বিদায়ের ভাষণে মিশেল ওবামার কথা বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। এসময় তার চোখে পানি চলে আসে। এক পর্যায়ে ওবামা একটি সাদা রুমাল বের করে চোখের পানি মুছতে শুরু করেন। এ সময় তার মেয়ে মালিয়াকেও কাঁদতে দেখা যায়।

সবসময় পাশে থাকার জন্য মিশেলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওবামা বলেন, তুমি আমাকে যেমন গর্বিত করেছো তেমনি দেশকেও গর্বিত করেছো। মিশেলকে ওবামা বলেন, তুমি হোয়াইট হাউজে এমন এক পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলে, যেখানে সবাই নিজেদের আপন ভাবতো।

মিশেলকে উদ্দেশ্য করে ওবামা বলেন, তুমি শুধু আমার সহধর্মিণী নও, আমার একজন ভাল বন্ধুও। যাকে সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে পেয়েছি। হোয়াইট হাউজে থাকা অবস্থায় মিশেলকে কোনো কাজের জন্য কখনো বলতে হয়নি। সব সময় নিজ দায়িত্বে যত্ন নিয়ে সব কাজ করেছেন তিনি।
malia

ওবামা তার ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকেও পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান। এসময় তিনি জো বাইডেনকে  ভাই সম্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সময় আজ বুধবার সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা শিকাগোতে তার বিদায়ী ভাষণ দেন। প্রেসিডেন্ট ওবামার বিদায়ী ভাষণ শুনতে শিকাগোতে অসংখ্য মানুষ জড়ো হন। শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে প্রিয় প্রেসিডেন্টের বক্তব্য শুনেন আমেরিকানরা।

ওবামার ভাষণ শোনার জন্য প্রথম দিকে টিকিট ফ্রি করা হয়েছিল। যে আগে আসবেন তাকেই টিকিট দেওয়া হয়েছে। জনপ্রতি একটি টিকিটই নির্ধারিত ছিল। কিন্তু মানুষের ভিড় বাড়ার ফলে একটি টিকিট ১০ হাজার ডলারেও বিক্রি হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ