1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইরানের সামরিক বাহিনীকে সহায়তার অভিযোগে আরও ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা টিসিবির কার্ড পেতে কী লাগবে; কারা পাবেন, মিলবে যেসব শর্তে আন্তর্জাতিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে ঢাকার সমর্থন চায় দিল্লি ইয়ামাল ঝড়ে স্পেনের দাপট, গর্ডন-কেইনের গোলে স্বস্তি ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউসে ইয়াবাসহ আটক ৪ ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল, ৪২ জনকে টিসি বন্যার ঝুঁকিতে লাখো বাড়ি, বিমা নিয়ে নতুন সতর্কবার্তা পার্থ-সাদনিমাকে নিয়ে ছেলের গল্প ও চিত্রনাট্যে চয়নিকার নাটক নিউইয়র্ক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমছে, আবারও দাম বাড়াতে চায় কোম্পানিগুলো

সন্দেহের শিকার হচ্ছেন প্যারিসের বাংলাদেশীরা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৫
  • ১৮০ Time View

প্যারিসে ব্যাপক হামলার পরের দিনটি আতঙ্কে কাটিয়েছেন শহরে বসবাসরত বাংলাদেশীরা। 4অনেকেই ঘর থেকে বের হননি। যারা বের হয়েছেন, তাদের মনে হচ্ছে সবাই যেন তাদের সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছে। নিজেরাও ভুগছেন সন্দেহ আর অবিশ্বাসের দোলাচলে। আজ রবিবার এক প্রতিবেদনে বিবিসি এমনটাই জানিয়েছে। প্যারিসের একটি দোকানে কাজ করেন জাহিদুল ইসলাম। তিনি শুক্রবার গভীর রাতের হামলার একজন প্রত্যক্ষদর্শীও বটে। তিনি বলেন, আপনাদের কোনো নম্বর আমার ফোনে ওঠেনি। আমাকে আগে নিশ্চিত হতে হবে আপনারা সত্যিই বিবিসি কিনা। পরে তার কাছে থাকা বিবিসির ফোন নাম্বারে তিনি ডায়াল করেন এবং একটি সাক্ষাৎকার দেন।
বিবিসিকে জাহিদুল ইসলাম বলছিলেন, তিনি ঘটনার পরদিন কাজে বেরিয়েছেন। দোকানে যদিও দিনে বারো ঘণ্টা কাজ করেন, কিন্তু শনিবার কাজ করেছেন মোটে চার ঘণ্টা। ক্রেতা একেবারেই ছিল না বললেই চলে। সব দোকানপাটেরই একই অবস্থা। বেশিরভাগ দোকানপাটই ছিল বন্ধ। রাস্তায় মানুষজন যা বেরিয়েছে, তাদের মধ্যে ফরাসী ছিল খুব কমই। পরস্পর পরস্পরের দিকে তাকাচ্ছিল প্রচ- সন্দেহ নিয়ে।
‘ক্ষোভ বা বিদ্বেষ নয়, সন্দেহ প্রবণতা কাজ করছে। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না’। বলছিলেন জাহিদুল।
এমনকি ফরাসী কেতা অনুযায়ী কিছু মানুষ ফুল দিয়ে ও মোমবাতি জ্বেলে আহত-নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেও তাদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। হাজার হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকলেও মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা বোধ এখনো ফিরে আসেনি বলে মনে হচ্ছে।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, এখানে বিদেশীদের বিশেষ করে যারা শ্বেতাঙ্গ নন তাদের খুবই সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে এবং এটাকে অত্যন্ত স্বাভাবিক বলেই তিনি মনে করেন।
এ দেশের নিয়ম হচ্ছে রাস্তাঘাটে কেউ কারো দিকে তাকায় না। কিন্তু আজ রাস্তাঘাটে সবাই ঘুরে ঘুরে তাকাচ্ছে বিশেষ করে আমাদের মতো বিদেশিদের দিকে। পাশের লোকের দিকে খুব তাকাচ্ছে। মানুষ খুব সতর্কভাবে চলাফেরা করছে।
এ বছরের শুরুর দিকে শার্লি হেবদো পত্রিকায় হামলার ঘটনা স্মরণ করে জাহিদুল বলেন, সেটা ছিল আমার বাসার খুব কাছে, তখনও মানুষকে এমন আচরণ করতে দেখা যায়নি, আজকে যেটা দেখছি।
জাহিদুল ইসলাম আরও জানান, তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা ভীত ও সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে। অনেকেই কাজে আসেনি।
বিশেষ করে যারা অবৈধভাবে ফ্রান্সে অবস্থান করছে তারা ঘর থেকে বের হওয়াই বন্ধ করে দিয়েছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ