1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘এভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কাউকে বল করতে দেখিনি’ হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরেই নিতে চায় সরকার : শিক্ষামন্ত্রী ২৫০০ টাকায় স্মার্টফোন দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : রেহান আসিফ আসাদ প্রথম ম্যাচ জিতেও লঙ্কানদের কাছে সিরিজ হারল বাংলাদেশ কখনো হাল ছাড়িনি : মিম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে : বদিউল আলম বিগত সরকারের লুটপাটের কারণে আমরা ঋণের বিশাল বোঝা পেয়েছি : তথ্যমন্ত্রী কোচ মুশতাক বললেন, ‘আমরা চাই বেঞ্চ শক্তিশালী হোক’ তরুণদের উৎসাহ দিতে কলেজছাত্রের বানানো রেসিং কার চালালেন প্রধানমন্ত্রী

শুয়েই আয় ১৪ লাখ টাকা!

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৫
  • ৮৩ Time View

lonikiটানা ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করেও লাখ টাকা আয় করা অধিকাংশ মানুষের জন্য বেশ কঠিন। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অ্যান্ড্রু লনিকি শুয়ে থেকেই তিন মাসে আয় করেছেন ১৮ হাজার ডলার বা ১৪ লাখ টাকা। কেবল শুয়ে থাকার জন্যই তাকে এই অর্থ দেওয়া হয়েছে। খবর শুনে আমাদের চমকে যাওয়ারই কথা। অবশ্য অ্যান্ড্রুর অভিজ্ঞতা বলছে, শুয়ে থাকার কাজটা মোটেও সোজা নয়। কারণ, তিনি নিজের বাসায় আরাম করে ঘুমাননি। তাকে টানা শুয়ে থাকতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার গবেষণা কেন্দ্র ফ্লাইট অ্যানালগ রিসার্চ ইউনিটের বেডে, তাও আবার নাকে-মুখে নল এবং সারা গায়ে অনেক বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম নিয়ে। নাসার একটি গবেষণার অংশ হিসেবে অ্যান্ড্রুকে এ কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়। সংস্থাটি মহাশূন্যে মানুষের পেশি ও হাড়ের ক্ষয় নির্ণয়ের জন্য তিন বছর ধরে সিএফটি ৭০ বা বেড রেস্ট স্টাডি নামে এ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য সর্বমোট ৫৪ জনকে পর্যবেক্ষণ করা হয়, অ্যান্ড্রু ছিলেন তাদের মধ্যে শেষ ব্যক্তি।
অ্যান্ড্রু বলেন, ‘২৫ হাজার প্রার্থীর মধ্যে আমি এ কাজের জন্য নির্বাচিত হব, কখনও ভাবতেই পারিনি।’ অবশ্য তার ভাগ্যও বেশ ভালো। কারণ, আগের চাকরিটা যেদিন খুইয়েছেন, তার পরদিন থেকেই তিনি নাসার এ কাজের জন্য ডাক পান। তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণ এবং ১০ সপ্তাহের মূল কাজ মিলে টানা তিন মাস তাকে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে। অ্যান্ডু্র বলেন, ‘আমার মতো অস্থির লোক এভাবে শুয়ে থাকতে পারবে, আমি বিশ্বাসও করতে পারিনি। কারণ, কাজটি ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি কষ্টকর।’ শুরুর দিকে তাকে মাথাব্যথা, ঘাড়-পিঠব্যথাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। আর বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা তো ছিলই। অবশ্য ধীরে ধীরে নতুন এই জীবনধারার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পেরেছি। সূত্র :অভিটি সেন্ট্রাল অবলম্বনে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৫ প্রিয়দেশ