ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে বাংলাদেশের শুরুটা হলো পয়েন্ট পাওয়ার তৃপ্তি নিয়ে।
ওয়েলসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র দিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল শুরু করেছে বাংলাদেশ। ছবি: বাফুফে
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
শক্তি, ঐতিহ্যে এগিয়ে থাকা ওয়েলসকে আটকে দিলেন শ্রীনাথ-বায়েজিদরা। ফিফা অনুর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল বাংলাদেশ শুরু করল পয়েন্ট পাওয়ার তৃপ্তি নিয়ে।
আজারবাইজানের বাকুতে বাছাইয়ে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে ওয়েলসের সাথে গোলশূন্য ড্র করেছে বাংলাদেশ।
ফিফার উদ্যোগে এই প্রথম ১৯১টি দেশের অংশগ্রহণে হচ্ছে এই আসর। আটজনের দলের এই বিশেষ প্রতিযোগিতায় ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪৮ মিটার প্রস্থের মাঠে হচ্ছে খেলাগুলো। ৪০ মিনিটের ম্যাচ, যা দুই অর্ধে।
‘জি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য প্রতিপক্ষ পর্তুগাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিজি ও বুরুন্ডি। ২৫ ও ২৬ অক্টোবর এক দিনে দুটি করে ম্যাচ খেলতে হবে দলকে। সে হিসেবে রোববার বাংলাদেশ খেলতে পর্তুগাল ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে।
ইউরোপের দল ওয়েলসকে রুখে দিলেও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন কোচ আকবর হোসেন রিদন। এ ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে তিনি পর্তুগাল ও ইন্দোনেশিয়া বিপক্ষে খেলতে চান।
“আমাদের প্রথম ম্যাচ ছিল ইউরোপিয়ান দল, শক্তিশালী ওয়েলসের বিপক্ষে। তবে, তাদের বিপক্ষে আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারি নাই; বিশেষ করে বিল্ড-আপের ক্ষেত্রে। বিল্ড-আপে আমরা বারবার ভুল করছিলাম এবং ম্যাচে সবচেয়ে সহজ সুযোগটি আমরাই মিস করেছি। পরের ম্যাচে ইনশাল্লাহ আশা করি, পর্তুগালের বিপক্ষে আরও ভালো পারফরম্যান্স করব।
“পর্তুগাল অবশ্যই আরও শক্তিশালী দল। পর্তুগালের সাথে আজকের এই ম্যাচের ভুলত্রুটি সংশোধন করতে ক্লাস করব, যেহেতু ট্রেনিংয়ের সুযোগ নাই। আমাদের আগামীকালকে দুটি ম্যাচ-একটি ম্যাচ হচ্ছে সকাল ৯টায়, আরেকটি রাত ৯টায়। আমরা দুটি ম্যাচের উপরে ফোকাস রাখছি। পর্তুগাল যেহেতু প্রথমে খেলব পর্তুগালের সাথে, সে অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করব সমস্যাগুলো শুধরে নিতে।”
গোলকিপার শ্রীনাথ সরদার অবশ্য ক্লিনশিট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারাতেই খুশি।
“আজ আমরা প্রথম ম্যাচ ওয়েলসের বিপক্ষে খেলেছি। তারা আমাদের চেয়ে শারীরিকভাবে ভালো, সে হিসেবে আমরা তাদের বিপক্ষে আমরা ভালো খেলেছি। এ ম্যাচে আমি ক্লিনশিট রাখার চেষ্টা করেছি। পরের ম্যাচগুলোতেও ক্লিনশিট রাখার লক্ষ্য আছে আমার। ম্যাচ বাই ম্যাচ হিসেব করে আমরা খেলছি।”
মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে
প্রয়োজন কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প শ্রমবাজার
ডিজিটাল নিরাপত্তা কি শুধু সচেতন ও বিত্তবানদের জন্য?