1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন

চীনা ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে চায় ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২০ Time View

২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯ বিলিয়ন ডলার। অথচ বাংলাদেশে এখনো কোনো চীনা ব্যাংক সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করছে না।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান জানিয়েছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’।

দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আর্থিক সংযোগ জোরদারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে সংস্থাটি বলেছে, বাংলাদেশে চীনা ব্যাংকের উপস্থিতি বাড়লে বিনিয়োগকারীদের অর্থায়ন পাওয়া সহজ হবে।

মঙ্গলবার বেইজিংয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার (চায়না এক্সিম ব্যাংক) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ডে’ অনুষ্ঠানে এসব বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

চায়না এক্সিম ব্যাংকের সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ যৌথভাবে ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার—বাংলাদেশ–চায়না ফাইন্যান্সিয়াল কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক উপস্থাপনা তুলে ধরে বলে ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে।

উপস্থাপনায় বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯ বিলিয়ন ডলার। অথচ বাংলাদেশে এখনো কোনো চীনা ব্যাংক সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করছে না।

বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনীয় বা কম বাণিজ্যের দেশ কম্বোডিয়া, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারেও চীনা ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিনিয়োগ খাত, চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড) এবং মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হয়।

এসব ক্ষেত্রে চীনা কোম্পানি ও তাদের অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে যুক্ত হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশ–চীন সহযোগিতার পরের ধাপ হল আর্থিক সংযোগ স্থাপন। বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী চীনা কোম্পানিগুলোর প্রয়োজন সহজ ও কার্যকর বাণিজ্য অর্থায়ন, যন্ত্রপাতি কেনার অর্থায়ন, চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহায়তা।

“দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণও এই প্রয়োজনের কথা বলে। বাংলাদেশের কোম্পানিগুলোর প্রয়োজন প্রযুক্তি এবং ব্যবসা ও উৎপাদন বাড়ানোর উপযোগী অংশীদারত্ব। বাংলাদেশে চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতি বাড়লে দুই পক্ষই উপকৃত হতে পারে। এতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত বাস্তবে রূপ দেওয়াও সহজ হবে।”

অনুষ্ঠানে চীনের ১১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না, এগ্রিকালচারাল ব্যাংক অব চায়না ও ব্যাংক অব চায়না। সম্পদের হিসাবে বিশ্বের বৃহত্তম চার ব্যাংকের মধ্যে এই তিন ব্যাংকের নাম রয়েছে বলে উপস্থাপনায় জানানো হয়।

এছাড়া অবকাঠামো ও প্রকৌশল, বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিকস, স্মার্ট ও শিল্পপ্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, ভোক্তা ইলেকট্রনিকস এবং কৃষিপ্রযুক্তি খাতের ২৬টি চীনা কোম্পানি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগে চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভূমিকা নিয়েও একটি উপস্থাপনা দেওয়া হয়।

ব্যাংকটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং বলেন, “চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় সহায়তাকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়না একটি পলিসি ব্যাংক হিসেবে বিশেষায়িত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে অবকাঠামো, জ্বালানি, কৃষি এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে আমাদের প্রায় ৪০টি প্রকল্প রয়েছে।

“আমরা বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবার মতো অগ্রাধিকার খাতে আরও বেশি শীর্ষস্থানীয় চীনা কোম্পানিকে সরাসরি বিনিয়োগে উৎসাহিত করব, যাতে অর্থায়ন বাংলাদেশের উৎপাদন ও সেবামুখী অর্থনীতির বিকাশে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকা রাখতে পারে।”

চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আমেরিকা কি সত্যি ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের পথে যাচ্ছে?

প্রবাসী বন্ড ও সমন্বিত উন্নয়ন: সিলেটের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ

অনাগত বেতনের আগাম দহন: ২০২৬ নোবেলজয়ীদের তত্ত্বে পে স্কেল ও প্রত্যাশার নোঙর

যুদ্ধ হরমুজে, আগুন ফ্রান্সে: ভূরাজনীতি ও অভ্যন্তরীণ সংকট

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ