ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে আফ্রিকার দেশটিকে ১৫৮ রানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। তাতে ফাইনালে ওঠার রাস্তা কঠিন হয়ে গেছে টাইগার দলের। টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের সামনে এখন বেশ কঠিন সমীকরণ, প্রতিপক্ষ আফগান দল। প্রথম ম্যাচে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৩৩.৪ ওভারে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তান হারলে হতো সহজ সমীকরণ, লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে জিতলেই ফাইনাল নিশ্চিত হতো নাজমুল হোসেন শান্ত-তাওহীদ হৃদয়দের। সব ভেস্তে গেছে আফগানদের জয়ে, এখন তাদের বিপক্ষে ম্যাচে শুধু জিতলেই হবে না বাংলাদেশের, ব্যবধান বড় রাখতে হবে নেট রান রেটেরও। ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের সামনে কী সমীকরণ, সেটা দেখার আগে দেখে নেয়া যাক পয়েন্ট টেবিলে কোন অবস্থানে দলগুলো। ১ ম্যাচে এক জয়ে দুই পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আফগানিস্তান, যাদের নেট রান রেট ৩.১৬০। ২ ম্যাচে একটি করে জয়ে ও হারে দুই পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে জিম্বাবুয়ে, নেট রান রেট -০.৫৯০। অন্যদিকে এক ম্যাচে এক হারে -১.৯৮০ রান রেট নিয়ে টেবিলে তলানিতে বাংলাদেশ। অর্থাৎ, বাংলাদেশের জন্য শেষ ম্যাচটি শুধু জয়ের নয়, সঙ্গে অঙ্কের, সমীকরণের। ধরে নেয়া যাক আগে ব্যাটে নেমেছে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য যাই হউক, বাংলাদেশকে অন্তত ৪১ কিংবা তার চেয়ে অধিক রানে জয় পেতে হবে। তাহলে নেট রান রেটে এগিয়ে ফাইনাল খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে পারবে টিম টাইগার্স। অন্যদিকে যদি পরে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ, সেক্ষেত্রে লক্ষ্য যা হবে তার উপর ভিত্তি করে একটা নির্ধারিত ওভারের মধ্যে জয়ে পৌঁছাতে হবে টাইগারদের। যদি আফগানরা ১৫০ রানের লক্ষ্য দেয়, তাহলে ৩৯ ওভার এবং ২০০ রানের লক্ষ্য দেয় তাহলে ৪০.২ ওভারে ম্যাচ শেষ করতে হবে বাংলাদেশকে। ২২০ রানের লক্ষ্য হলে ৪০.৫, ২৫০ রানের লক্ষ্য হলে ৪১.৩ ওভার এবং ৩০০ রানের লক্ষ্য হলে ৪২.২ ওভারে শেষ করতে হবে ম্যাচ। বাংলাদেশের বাঁচা-মরার ম্যাচটি গড়াবে বুধবার। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় আফগানদের বিপক্ষে নামবে টিম টাইগার্স।