1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পূবালী ব্যাংকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতাবিষয়ক ভার্চুয়াল কর্মশালা অনুষ্ঠিত বীমাদাবির অর্থ কেটে রেখে নতুন বীমায় নিষেধাজ্ঞা উদ্যোক্তা হতে আট জেলায় ১৮ হাজারের বেশি আবেদন বিএনপি নিজেদের ঘোষিত সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে প্রতারণা করছে: সারোয়ার তুষার কুয়েতের আল-কাদসিয়ার বিপক্ষে হেরে শুরু ফর্টিস এফসির সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয়ের জমি ক্রোক, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ট্রেড লাইসেন্স মিলবে এক পোর্টালে: বাণিজ্যমন্ত্রী সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজে ১১৫ কেডব্লিউপি ক্ষমতার সোলার সিস্টেম উদ্বোধন মাদক সেবনের ভিডিও: ময়মনসিংহে ছাত্রদল নেতাকে অব্যাহতি লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫ বি-১-এর অক্টোবর সেবা সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয়ের জমি ক্রোক, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে সাবেক যুগ্ম সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের একটি জমি জব্দ এবং ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমি এই নির্দেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম এ বিষয়ে আদালতে আবেদন করেন। আজ শুনানি শেষে আদালত এই নির্দেশ দেন।

দুদকের আবেদন অনুযায়ী, ঢাকার নন্দীপাড়া-৫ মৌজায় তাঁর নামে থাকা শূন্য দশমিক ৭৯৬ শতাংশ জমি ক্রোক এবং সিটি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিস ও বনানী শাখা ও এনসিসি ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ দুই কোটি ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৮২৬ টাকার সম্পদ অর্জন ও দখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর নামে ১৪টি ব্যাংক হিসাবে পাঁচ কোটি ৯০ লাখ ১৫ হাজার ৫৯০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের আবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, সংশ্লিষ্ট সম্পদ অন্যত্র বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারেন তিনি। এতে বিচার শেষে সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে। এ কারণে এসব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ প্রয়োগ ও অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ