1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ফের পুরোদমে ব্যাংকিং সেবা চালু ন্যাশনাল ব্যাংকের, টাকা তোলায় নেই বিধিনিষেধ দুধে ভেজাল মেশানোর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ মুক্তির আগেই কেন ‘স্ট্রিট ফাইটার’ সিনেমা নিয়ে এত আগ্রহ? অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ-চীন দুর্গাপূজায় নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে ২ লাখ আনসার-ভিডিপি আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস: প্রতিদিনের এই অভ্যাসেই কমবে সংক্রমণের ঝুঁকি ফিফা বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচার করবে নেটফ্লিক্স শ্রীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস: প্রতিদিনের এই অভ্যাসেই কমবে সংক্রমণের ঝুঁকি

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

প্রতিদিনের ছোট্ট একটি অভ্যাস কমাতে পারে নানা রোগের ঝুঁকি। অভ্যাসটি হলো সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়া। অথচ ব্যস্ততার কারণে অনেকেই হাত ধোয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অবহেলা করেন। অপরিষ্কার হাত থেকেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে বিভিন্ন জীবাণু, বাড়তে পারে ডায়রিয়া ও শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি।

জীবাণুর সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ১৫ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। দিবসটির মূল লক্ষ্য, সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং সুস্থ থাকতে এর গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা।

হাতের জীবাণু থেকেই হতে পারে নানা রোগ

দরজার হাতল, মুঠোফোন, টাকা, গণপরিবহনের আসনসহ প্রতিদিনের ব্যবহার্য নানা জিনিস আমরা হাত দিয়ে স্পর্শ করি। এসবের মাধ্যমে হাতে জমতে পারে ময়লা ও জীবাণু। পরে অপরিষ্কার হাতে খাবার খেলে কিংবা চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করলে জীবাণু শরীরে প্রবেশের সুযোগ পায়।

এর ফলে ডায়রিয়া, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই শুধু বাইরে থেকে বাড়ি ফিরেই নয়, দৈনন্দিন কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে হাত পরিষ্কার রাখার অভ্যাস জরুরি।

হাত ধোয়া কেবল ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয় নয়, রোগের বিস্তার ঠেকানোরও গুরুত্বপূর্ণ উপায়। পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুলে হাতে থাকা ময়লা, জীবাণু ও দূষিত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এতে খাবার ও পানির মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমানো সম্ভব।

বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তাঁদের সুরক্ষায় হাত পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দিনের যে সময়গুলোতে হাত ধোয়া জরুরি

কয়েকটি নির্দিষ্ট সময়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—

শুধু হাতে পানি দিলেই হাত পরিষ্কার হয় না। জীবাণু ও ময়লা দূর করতে সঠিক নিয়মে হাত ধোয়া প্রয়োজন।

প্রথমে পরিষ্কার প্রবাহিত পানি দিয়ে দুই হাত ভালোভাবে ভিজিয়ে নিন।

হাতের তালুসহ দুই হাতের সব অংশে সাবান লাগান, যাতে কোনো অংশ বাদ না পড়ে।

দুই হাতের তালু, হাতের পিঠ, আঙুলের ফাঁক, নখের চারপাশ ও বুড়ো আঙুল ভালোভাবে ঘষে পরিষ্কার করুন।

তাড়াহুড়া না করে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাতের প্রতিটি অংশ ঘষুন। এতে হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করতে সুবিধা হয়।

পরিষ্কার প্রবাহিত পানি দিয়ে হাতের সাবান ধুয়ে ফেলুন। এরপর পরিষ্কার তোয়ালে বা উপযুক্ত উপায়ে হাত শুকিয়ে নিন।

শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শেখান হাত ধোয়া

শিশুদের পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস গড়ে তুলতে ছোটবেলা থেকেই হাত ধোয়ার গুরুত্ব শেখানো দরকার। পরিবারের বড়রা নিজেরাও নিয়মিত হাত ধুয়ে শিশুদের সামনে উদাহরণ তৈরি করতে পারেন।

পাশাপাশি বিদ্যালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও জনসমাগমস্থলে হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও জরুরি। এতে আরও বেশি মানুষ সহজে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবেন।

কোনো কারণে সাবান ও পানি ব্যবহারের সুযোগ না থাকলে অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহলযুক্ত হাত পরিষ্কারের তরল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে হাত দৃশ্যত নোংরা হলে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ধোয়াই উত্তম।

সুস্থ থাকতে সব সময় বড় কোনো উদ্যোগের প্রয়োজন হয় না। প্রতিদিন সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার মতো ছোট একটি অভ্যাসও নানা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে শুধু এক দিনের সচেতনতা নয়, প্রতিদিনের জীবনে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই হোক সবার অঙ্গীকার।

সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ