1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটে মধ্যরাতে নারী চিকিৎসককে হেনস্তার অভিযোগ শ্রমিকদল নেতার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে হাতহীন শিক্ষক দুখু মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসন সিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় যুবকের প্রাণদণ্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না খেলেই ইসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ক্রকোম্ব নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত ধাপে ধাপে পূরণ করতে চায় সরকার লিটনের সেঞ্চুরি ও রেকর্ডের পর জয়ের আশা নিয়ে শেষ দিনে বাংলাদেশ মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ঢাকা উদ্যানে পাওয়া সেই ভ্যানিটি ব্যাগে মিলল ৯ হাতবোমা

লিটনের সেঞ্চুরি ও রেকর্ডের পর জয়ের আশা নিয়ে শেষ দিনে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৭ Time View

চতুর্থ দিনে আফগানরা ব্যাটিংয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও এগিয়ে থেকে শেষ দিন শুরু করবে বাংলাদেশ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

সেদিকউল্লাহ আটাল ও রেহমাত শাহর জুটি তখন জমে উঠতে শুরু করেছে সবে। স্টাম্প মাইকে শোনা গেল নাজমুল হোসেন শান্তর কণ্ঠ, “ধৈর্য হারাস না ভাই… একটি উইকেট পড়লেই আরও উইকেট পড়বে…।” সেই একটি উইকেট নিতেই সময় লেগে গেল অনেকটা। সেই উইকেটের হাত ধরে আর কোনো উইকেটও ধরা দিল না। দিনটি তাই বাংলাদেশের জন্য শেষ হলো হতাশায়।

ম্যাচে অবশ্য এখনও এগিয়ে বাংলাদেশই। জয়ের আশা নিয়েই শেষ দিন শুরু করবে শান্তর দল। তবে চতুর্থ দিনের শেষ ভাগের প্রতিরোধ থেকে অন্তত শেষ দিনে লড়াইয়ের প্রেরণা পেতে পারে আফগানিস্তান। শেষ ইনিংসে ৪৭৯ রানের লক্ষ্যে নেমে আফগানরা চতুর্থ দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ১৩২ রানে।

শেষ দিনে আফগানদের প্রয়োজন ৩৪৭ রান। সেই লক্ষ্যে না তাকিয়ে তারা অবশ্য চাইবে উইকেট আঁকড়ে রেখে ম্যাচ বাঁচাতে। বাংলাদেশের প্রয়োজন ৭ উইকেট।

বাংলাদেশের লিড হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে লিটন কুমার দাসের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে। ১১৭ বলে ১০২ রান আর ৮৭ স্ট্রাইক রেট বলবে, তার ব্যাটে ছিল আগ্রাসন। আদতে তিনি ছিলেন তার সেরা নান্দনিক চেহারায়। চোখে মায়াঞ্জন বুলিয়ে দেওয়া সব ড্রাইভ আর ফ্লিক এসেছে তার ব্যাট থেকে। এমনকি পুল শটেও পেশি শক্তির চেয়ে বেশি ছিল টাইমিংয়ের জাদু। তিনন দফায় অবশ্য জীবন পেয়েছেন। তাতে তার ইনিংসের মহিমা খুব একটা কমেনি।

সবশেষ সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। এবার এক টেস্টেই করলেন ফিফটি ও সেঞ্চুরি।

তার সঙ্গে ১৪৯ রানের জুটিতে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

লিটনের জন্য দিনটি পরে আরও স্মরণীয় হয়ে থাকে উইকেটের পেছনে কীর্তিতেও। বাংলাদেশের হয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ আট ডিসমিসালের রেকর্ড গড়েন তিনি।

বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণার পর শেষ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে আফগানদের দ্রুত দুটি উইকেট পড়লেও পরে দারুণ প্রতিরোধ গড়েন আটাল ও রেহমাত। ২১৪ বলে ৮২ রানের বন্ধন গড়েন দুজন। এই জুটির সৌজন্যেই কিছুটা জিইয়ে আছে আফগানদের সম্ভাবনা।

আফগানদের বিশাল লক্ষ্য দেওয়ার পর বাংলাদেশের শুরুটা ছিল প্রত্যাশিতই। ইবাদত হোসেনের দুর্দান্ত এক ডেলিভারি দলকে উইকেট এনে দেয় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই। ব্যাটসম্যান আব্দুল মালিকের তেমন কিছুই করার ছিল না।

তিনে নামা শাহিদউল্লাহর শুরুটা ছিল ইতিবাচক। কিন্তু তাকে ১৯ রানে থামায় হাসান মাহমুদের শর্ট বল।

সেখান থেকে আটাল ও রেহমাত জুটির প্রতিরোধ। ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশ করে এগোতে থাকেন দুজন।

ভালোভাবে জমে ওঠার আগেই অবশ্য জুটি ভাঙার সুযোগ এসেছিল। কিন্তু হাসানের বলে স্লিপে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করেন তানজিদ হাসান।

১৬ রানে সেই ভুল করার পর ফিফটি পর্যন্ত কোনো সুযোগই দেননি রেহমাত। আরেক প্রান্তে আটাল ছিলেন ধৈর্যের প্রতিমূর্তি।

আগের ইনিংসে সেঞ্চুরি করা রেহমাত এবার ফিফটি করেন ১২১ বলে। এর পরপরই তার প্রতিরোধের দেয়ালে ফাটল ধরান ইবাদত। অফ স্টাম্প ঘেঁষা ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ধরা পড়েন আফগান অধিনায়ক।

তবে আটালের মনোসংযোগে সামান্যতম চিড় ধরেনি। দিন শেষ করেন তিনি ১২৬ বলে ৩৫ রান করে। তার সঙ্গে জুটিতে দিন শেষ করেন হাশমাতউল্লাহ শাহিদি।

সকালে বাংলাদেশ দিন শুরু করে ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে। দিনের তৃতীয় ওভারেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে রক্ষা পান লিটন। ১২ রানে বেঁচে যাওয়া লিটন আরেকটু পর জীবন পান ২৬ রানে।

দফায় দফায় জীবন পেলেও লিটনের ব্যাটিংয়ে অস্বস্তি খুব একটা ছিল না। রান উঠতে থাকে বেশ দ্রুততায়। দ্বিতীয় নতুন বল নিয়েও রানের গতি আটকানো বা উইকেটের দেখা, কোনোটিই পায়নি আফগানরা।

লিটনের ফিফটি আসে ৬১ বলে। আরেক দফায় ভাগ্যকে পাশে পান তিনি ৬৭ রানে। এবার তার ব্যাটে আলতো ছুঁয়ে বল কিপারের গ্লাভসে গেলেও আম্পায়ার আউট দেননি। আফগানিস্তানের ছিল না কোনো রিভিউ।

এর মধ্যে ১৯ রানে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে পার পেয়ে যান মিরাজও। আরেকবার তিনি টিকে যান রান আউট হতে হতেও।

এত সুযোগ হারিয়ে ক্রমে ধার হারায় আফগানদের আক্রমণ। ধ্রুপদি সব ক্রিকেট শট খেলে ১১৫ বলে সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান লিটন। বিশেষ করে, তার কিছু অন ড্রাইভ ছিল দেখার মতো।

তার সপ্তম টেস্ট শতরান এটি। কিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতে স্পর্শ করলেন মুশফিকুর রহিমকে।

শতরানের পরপরই বিদায় নেন লিটন। তখনই ইনিংস ঘোষণা করে দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৫২ রানে অপরাজিত রয়ে যান মিরাজ।

এরপর বোলিংয়ে বাংলাদেশের শেষটা কেটেছে ভালোমন্দ মিলিয়ে। তবু শেষ দিনটি জয়ের ছবি এঁকেই শুরু করবেন শান্ত-লিটনরা।

বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: (আগের দিন ২২৩/৬) ১০৫.২ ওভারে ৩৭২/৭ ডিক্লে. (লিটন ১০২, মিরাজ ৫২*; আহমাদজাই ২০-২-৯৬-২, সালিম ১৯.২-৩-৬৯-২, ইসমাত ৩-০-৯-০, জিয়া ৩৩-৪-৮৬-২, কাইস ১৫-০-৭০-১, মালিক ৩-১-৯-০, শাহিদি ১২-০-৩২-০)

আফগানিস্তান ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ৪৭৯) ৫০ ওভারে ১৩২/৩ (মালিক ২, আটাল ৩৫*, শাহিদউল্লাহ ১৯, রেহমাত ৫১, শাহিদি ১৯*; হাসান ১২-০-৩১-১, ইবাদত ১০-২-৩২-২, তাইজুল ৭-০-৩১-০, মিরাজ ১৫-৪-২৪-০, নাঈম ৬-১-১০-০)।

মদ, নাচানাচি ও রাষ্ট্রের নৈতিক পাহারাদারি

‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ডিজিটাল সংবাদপত্রের পথিকৃৎ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ