1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বাগেরহাটে মধ্যরাতে নারী চিকিৎসককে হেনস্তার অভিযোগ শ্রমিকদল নেতার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে হাতহীন শিক্ষক দুখু মিয়ার পাশে জেলা প্রশাসন সিলেটে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় যুবকের প্রাণদণ্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না খেলেই ইসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ক্রকোম্ব নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত ধাপে ধাপে পূরণ করতে চায় সরকার লিটনের সেঞ্চুরি ও রেকর্ডের পর জয়ের আশা নিয়ে শেষ দিনে বাংলাদেশ মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ঢাকা উদ্যানে পাওয়া সেই ভ্যানিটি ব্যাগে মিলল ৯ হাতবোমা

আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত ধাপে ধাপে পূরণ করতে চায় সরকার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ Time View

“আমরা জনগণকে ইশতেহার দিয়ে ক্ষমতায় আসছি। তো সেই জায়গাটায় সামঞ্জস্যের বিষয় আছে,” বলেন অর্থমন্ত্রী।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: ভিডিও থেকে

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

বিশ্ব ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পাওয়ার শর্তে যেসব সংস্কারের কথা আছে, সেগুলো বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে শুরু হওয়া আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভায় বাংলাদেশের তরফে এ ধরনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।

সভার পর ব্রিফিংয়ে এসে আমির খসরু বলেন, “দুয়েকটা জায়গায় যদি ‘ডিফারেন্স’ থাকে, সেখানে আমরা ‘সিক্যুয়েন্সিংয়ের’ কথা বলেছি। বিষয়টা ধাপে ধাপে সমাধান হবে।”

এক্ষেত্রে তার ব্যাখ্যা, “আমরা আগেই বলেছি, আমাদের সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত। আমরা জনগণকে একটা ইশতেহার দিয়ে ক্ষমতায় আসছি। তো সেই জায়গাটায় সামঞ্জস্যের বিষয় আছে।”

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এদিন থেকে শুরু হয়েছে আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভা; চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। সেখানে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল যোগ দিয়েছে।

আইএমএফের ঋণে যেসব শর্ত থাকে, তার বড় অংশজুড়ে থাকে রাজস্ব ও ব্যাংকিং খাত। জ্বালানি খাতের ভর্তুকি কমিয়ে বাজারমূল্যে সরবরাহের চাপ, কর ছাড়ের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন করে কর বসানোর চাপও থাকে।

আর্থিক সংকটের মধ্যে ২০২২ সাল থেকে কয়েক দফা আলোচনা শেষে ২০২৩ সালের প্রথম দিকে আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ চুক্তি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঋণের অঙ্ক বেড়ে হয় সাড়ে ৫০০ কোটি ডলারের মতো।

২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার পায় বাংলাদেশ। এ পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে পেয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার।

ষষ্ঠ কিস্তি ছাড়ের আলোচনা এক বছর আটকে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন করলে ঋণের শর্ত নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়। আগের ঋণ থেকে বেরিয়ে নতুন ঋণ নেওয়ার জন্য আইএমএফের কাছে প্রস্তাব দেয় সরকার।

নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যে গত ৩ জুন আইএমএফ আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়ে বলে, বাংলাদেশ নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আবেদন করেছে।

তবে ঋণের অঙ্ক কত, তা নিয়ে কোনো তথ্য দেয়নি আইএমএফ। সেই ঋণের শর্ত ঠিক করতে বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান চিত্র ও সংস্কার নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে মিশন পাঠায় আইএমএফ।

এ সভার পর ফের আইএমএফের মিশন ঢাকায় আসবে; তখনই মূল আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সভার ফাঁকে ফাঁকে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বাংলাদেশ।

অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, “অলরেডি ডায়লগ চলছে আমাদের। অনেকগুলো এরমধ্যে মিটিং হয়েছে আমাদের। কাল-পরশু এদের সঙ্গে আলোচনা আছে। তো আইএমএফের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে।”

জ্বালানি ব্যয় মেটাতে বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগিতা

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে সরকারের যে বাড়তি ব্যয় হচ্ছে, তা মেটাতে বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়ার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।

তার ভাষ্য, “ফ্রেমওয়ার্ক, পার্টনারশিপ, ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টে তো আমরা যাচ্ছি। এর মাধ্যমে আগামী দিনে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সঙ্গে কো-অপারেশন কী হবে ওই ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্টের মধ্যে ওটা থাকবে। একই সময়ে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সাপোর্ট তো দিয়ে যাচ্ছে। সমস্যা নাই।

“আমাদের একটা সমস্যা আছে, যা জটিল হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে যে যুদ্ধ চলছে, তার কারণে তেল-গ্যাসের উচ্চমূল্যের যে বিপুল খরচ আমাদের, অর্থাৎ দেশকে বহন করতে হচ্ছে, তা সামাল দিতে একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা দরকার।”

তিনি বলেন, “আমাদের যে অংশীদারত্ব কাঠামো, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রক্রিয়াটি এখনও চলমান। তারা ঢাকায় আসবে। এ আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আমার মনে হয়, আমরা সঠিক পথে এগোচ্ছি।”

মদ, নাচানাচি ও রাষ্ট্রের নৈতিক পাহারাদারি

‘রাস্তা আছে যেখানে, অটো চলবে সেখানে’

তৌফিক ইমরোজ খালিদী: ডিজিটাল সংবাদপত্রের পথিকৃৎ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ