1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রিকশাচালক-মুচিও আসবেন বাংলা কিউআরে লেনদেনর আওতায়: গভর্নর সূর্যের আলোয় চলবে ওয়ালটনের ফ্রিজ-এসি-টিভি, উৎপাদিত বিদ্যুৎ যাবে গ্রিডেও কুষ্টিয়ায় লালন মাজারের দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৬ লাখ টাকা দিয়াবাতে, রাসল বা’র হ্যাটট্রিক, বড় জয় মোহামেডান ও পুলিশ এফসির নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে নরওয়েকে যে হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প ট্রাম্পের নতুন প্রেস সেক্রেটারি ক্যাটি জাকারিয়া ভাষা দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয়েই তৈরি হবে দক্ষ মানবসম্পদ: ববি হাজ্জাজ কারিগরি ত্রুটি: ঢাকায় নিরাপদে নামল কক্সবাজার থেকে আসা বিমানের ফ্লাইট অর্জিত গণতন্ত্রকে একটি কার্যকর সংসদে রূপ দিতে হবে : জহির উদ্দিন স্বপন চারদিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে গুরুত্ব পাবে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও বিনিয়োগ: হুমায়ুন কবির

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে বাংলাদেশের প্রধান এজেন্ডা হবে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়টি বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

আগামী ২৬ অক্টোবর চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব বাড়াতে গুরুত্ব দেবে বাংলাদেশ।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের ওপর আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজ যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে।

হুমায়ুন কবির বলেন, 'আমাদের জাপান সফরের প্রধান অগ্রাধিকার হবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গভীর করা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।'

জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে তিনি জানান, দেশের বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পে জাপানি বিনিয়োগ দুই দেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে। আসন্ন সফরে বাণিজ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা ও বিনিয়োগের নতুন সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এদিকে প্রস্তাবিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় স্বার্থ এবং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা অভিজ্ঞতার সম্ভাব্য অবদানকে বিবেচনায় নিয়ে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।

সেমিনারে তিনি বলেন, 'আমরা মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা করছি। এই চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছি।'

তিনি আরও জানান, এ চুক্তিতে অংশগ্রহণ যদি জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিম বিশ্বের কল্যাণ ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিতে অবদান রাখার সুযোগ দেয়, তবে বাংলাদেশ একটি অনুকূল সিদ্ধান্ত নেবে। বিশেষ করে মক্কা ও মদিনাকে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সুবিধাজনক সময়ে রিয়াদ সফর করবেন। অন্যদিকে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি।

সৌদি আরবের সঙ্গে কেবল ঐতিহ্যগত শ্রম অভিবাসন ও রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর না থেকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারিত করা উচিত বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'সেই ভিত্তি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এটি আমাদের আকাঙ্ক্ষার সর্বোচ্চ সীমা হতে পারে না।'

সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে কাজে লাগিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অবকাঠামো, বন্দর, লজিস্টিকস, কৃষি, মৎস্য, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে যৌথ বিনিয়োগ তহবিল গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। বিনিয়োগ আকর্ষণে একটি যথাযত ব্যবসায়িক পরিবেশ, শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি সৌদি আরবে আরও দক্ষ ও পেশাদার লোতজন পাঠানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। একইসঙ্গে দক্ষতা বৃদ্ধির এই প্রশিক্ষণ দেশটির পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর তাগিদ দেন। বাংলাদেশি শ্রমিকদের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে বলেও তিনি যোগ করেন। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ-সৌদি আরব সম্পর্কের পরবর্তী অধ্যায় কেবল পরিমাণের চেয়ে গুণগত মান সৃষ্টির মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া উচিত।'

সেমিনারে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ; পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক) ড. মো. নজরুল ইসলাম; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মোখতার আহমেদ; বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিজওয়ানুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এনএসইউ-এর সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্সের পরিচালক অধ্যাপক এস কে তৌফিক এম হক সূচনা বক্তব্য দেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনএসইউ-এর রাজনৈতিক বিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এবং একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজের সমন্বয়ক ড. সেলিম রেজা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ উজ জামান প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন।

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ