ক্রীড়া ডেস্ক: ফুটবল মাঠের সব রূপকথার চিত্রনাট্য শেষ করে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে সবুজ গালিচার খেলা ছাড়তে না ছাড়তেই এবার এই আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে ঘিরে শুরু হয়েছে এক নতুন ও চটুল রাজনৈতিক গুঞ্জন।
ফুটবলের রাজত্ব শেষে ‘এলএমটেন’ কি তবে এবার নিজ দেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় মন দেবেন? সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকের দাবিকে ঘিরে এমন প্রশ্নই এখন আবর্তিত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর মনে।
কানাডীয় শিক্ষাবিদ ও ভবিষ্যদ্বক্তা হিসেবে পরিচিত ‘প্রফেসর জিয়াং’ আমেরিকান রাজনৈতিক ভাষ্যকার নিকোলাস কেন ডি বালিনথাজির (স্নিকো) দেওয়া এক খোলাখুলি সাক্ষাৎকারে এই চাঞ্চল্যকর দাবিটি করেন। জিয়াংয়ের মতে, আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে সক্রিয় পেশাদার রাজনীতিতে যোগ দেবেন মেসি এবং শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে (প্রেসিডেন্ট) আসীন হবেন।
জিয়াং জানান, তিনি সাধারণত ‘গেম থিওরি’ ও বৈজ্ঞানিক বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে বিশ্ব ভূ-রাজনীতির জটিল ঘটনাবলী বিশ্লেষণ করেন। এর আগেও তাঁর একাধিক রাজনৈতিক পূর্বাভাস সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। যদিও এই প্রফেসরের পেশাগত পরিচয় কিংবা তাঁর গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাসের নির্ভরযোগ্যতা নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
আর্জেন্টিনার চলমান রাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রফেসর জিয়াং আরও একধাপ এগিয়ে দাবি করেন, মেসি যদি কোনো দিন দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তবে তিনি প্রায় দুই দশক (২০ বছর) ধরে নিজেকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে পারেন।
তবে এই দীর্ঘ শাসনকালে আর্জেন্টিনার জাতীয় স্বার্থের জন্য বেশ কিছু ক্ষতিকর ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। গবেষক জিয়াংয়ের মতে, মেসি রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসলেও ক্ষমতার আসল কলকাঠি এবং পর্দার আড়ালের মূল রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখবেন আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও চরম ডানপন্থী নেতা হাভিয়ের মিলেই।