1. editor@priyodesh.com : editor : Mohammad Moniruzzaman Khan
  2. monirktc@yahoo.com : স্টাফ রিপোর্টার :
  3. priyodesh@priyodesh.com : priyodesh :
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নিত্যপণ্য ও এলপি গ্যাসের বাজারে অভিযান, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ: কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে শিক্ষার্থীদের রেড কার্ড প্রদর্শন পরিকল্পিত নগর হবে জঙ্গল সলিমপুর: ডিসি জাহিদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হলো দেশের প্রথম ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ বরিশাল কোতোয়ালি থানার নতুন ওসি হলেন মনিরুল ইসলাম আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে বিএনপি-জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের হাতাহাতি মেসির সঙ্গে ছোট্ট মুহূর্ত মাস্তানতুয়োনোর বড় আনন্দের উপলক্ষ কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হলো দেশের প্রথম ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ Time View

কাগজনির্ভর প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির বাইরে গিয়ে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর এ পরীক্ষা ব্যবস্থার যাত্রা শুরু করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চালু হয়েছে 'পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম'।

‎জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা টিউটোরিয়াল পরীক্ষা দিয়েছেন নতুন এ পদ্ধতিতে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও 'পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম' চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীরের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীদের জন্য এ সিস্টেম তৈরি করেছেন আইসিই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল বাসির।

‎সংশ্লিষ্টরা জানান, 'পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম'-এ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের জন্য পৃথক সমন্বিত প্লাটফর্ম রয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এমসিকিউ ও শর্ট কোয়েশ্চনের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল ও ভুল উত্তরের সঠিক উত্তর এবং ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন।

‎উদ্ভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, সিস্টেমটিতে রয়েছে সমৃদ্ধ প্রশ্নব্যাংক, যার মাধ্যমে শিক্ষকরা সহজেই প্রশ্ন তৈরি ও একাধিক পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়নের ফলে খাতা দেখার সময় কমার পাশাপাশি ফলাফল দ্রুত প্রকাশ, মূল্যায়নে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

‎এছাড়া প্রশাসনের জন্য পরীক্ষার সার্বিক নজরদারি, ফলাফল সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট তৈরির সুবিধা রয়েছে। ফলে কাগজের ব্যবহার, সময়ের অপচয় ও প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরও দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব হবে।

‎সার্বিক বিষয়ে পদ্ধতিটির তত্ত্বাবধায়ক ড. মো. হাসনাত কবীর বলেন, 'প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত কাগজনির্ভর পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর পরীক্ষা পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এ ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কাগজবিহীন ও আধুনিক পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদর্শন, ফলাফল প্রক্রিয়ায় নির্ভুলতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অধিকতর সহজ ও সুবিধাজনক ব্যবস্থাপনা।'

‎তিনি বলেন, 'প্রাথমিক পর্যায়ে আইসিই বিভাগে এ পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর কার্যকারিতা ও সফলতা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'পাশাপাশি যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে এ সিস্টেম ব্যবহার করে পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে সিস্টেমটির নির্মাতারা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেবেন।'

‎এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, 'শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সবসময় চেষ্টা করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরো স্বচ্ছ ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিমুক্ত করতে পেপারলেস পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগকেও এ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।'

‎উপাচার্য আরও বলেন, 'এ পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এটি তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর শিক্ষা।'

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© ২০২৬ প্রিয়দেশ