সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুতের ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ মনিরুল ইসলামের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে। রুকনিয়াত বাতিল হওয়ার ফলে তিনি আর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
অন্যদিকে রুকনিয়াত বাতিল হওয়া এই নেতাকে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আর প্রার্থী থাকবেন কি নাÑএমন প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা বলেন, রোববার সকাল থেকেই আমাদের বৈঠক চলছে, জেলা জামায়াতের আমিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সব বিষয় আমরা বিবেচনা করছি। জামায়াতে ইসলামির সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, রুকন বা পূর্ণাঙ্গ সদস্য সংগঠনের সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ। একজন কর্মী নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণ করে রুকন হলে তিনি এই সদস্যপদ লাভ করেন।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বিনির্দেশ বহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অভিযোগে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে মজুত করা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।