ম্যাচটিকে নতুন খেলোয়াড়দের জন্য সামর্থ্য প্রমাণের আরেকটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন কার্লো আনচেলত্তি।
কার্লো আনচেলত্তি। ছবি: ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস
কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে ভক্তদের উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছে ব্রাজিল দল। কোচ কার্লো আনচেলত্তি চান এই উৎসবমুখর পরিবেশের সঙ্গে মানানসই উপভোগ্য ফুটবল উপহার দিতে। ম্যাচটিকে নতুন খেলোয়াড়দের জন্য সামর্থ্য প্রমাণের আরেকটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি।
ব্রাজিল ও তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা-উভয় দলেরই বিশাল ও নিবেদিতপ্রাণ সমর্থকগোষ্ঠী রয়েছে কলকাতায়; দক্ষিণ আমেরিকান দল দুটির নান্দনিক ফুটবলের প্রতি এখানকার মানুষের ভালোবাসা বহু দশকের পুরনো।
বিশ্বকাপের সময় পুরো এলাকা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে সেজে ওঠে। ২০১১ সালে আর্জেন্টিনা যখন এখানে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল এবং এর ছয় বছর পর ব্রাজিল যখন অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল, তখন সল্ট লেক স্টেডিয়ামে ৬০ হাজারেরও বেশি দর্শকের সমাগম হয়েছিল-পুরো স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
একই মাঠে শনিবার নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতের মুখোমুখি হবে রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিল। বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় শুরু হবে ম্যাচটি।
ব্রাজিল দল বৃহস্পতিবার কলকাতায় পা রাখার পর বিমানবন্দরে বিপুল সংখ্যক ভক্ত দলটিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, তার চাওয়া খেলোয়াড়রা ম্যাচটা আনন্দ নিয়ে খেলুক।
“এই অঞ্চলের মানুষ ব্রাজিল জাতীয় দলকে কতটা ভালোবাসে, তা আমরা জানি… এখানে ভারতের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেয়ে আমরা আনন্দিত।
মার্কিনিয়োস। ছবি: ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন
“এই ম্যাচগুলো… প্রস্তুতির জন্য দারুণ এবং নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণেরও ভালো সুযোগ। আমি চাই খেলোয়াড়রা খেলাটা উপভোগ করুক এবং প্রতিটি ম্যাচ আনন্দের সঙ্গে খেলুক। সবাই আনন্দ নিয়ে খেলতে চায়।”
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারত আছে ১৩৮তম স্থানে। ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম র্যাঙ্কিংয়ে এত নিচের কোনো দলের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল; সেবার তারা খেলেছিল র্যাঙ্কিংয়ে ১৮৫তম স্থানে থাকা অ্যান্ডোরার বিপক্ষে।
তবে অধিনায়ক মার্কিনিয়োস বললেন, এই ম্যাচটি ভারতে থাকা ব্রাজিলের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোরও একটি উপায়।
“অবশ্যই মূল লক্ষ্য সবসময় থাকে ভালো খেলা এবং ম্যাচ জেতা। তবে এখানে আসাটা ভারতীয় জনগণকে তাদের সমর্থনের জন্য এবং বছরের পর বছর ধরে, এর ইতিহাস জুড়ে ব্রাজিলিয়ান জাতীয় দলকে অনুসরণ করার জন্য ধন্যবাদ জানানোরও একটি উপায়।
“ব্রাজিলের বাইরে এটিই আমাদের জাতীয় দলের সমর্থকদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গোষ্ঠী; তাই এটি আমাদের জন্য আনন্দ ও সম্মানের বিষয়।”
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে ১-১ ড্র ও ৪-২ গোলে জয়ের পর এই ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে ব্রাজিল, যারা নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড় নিয়ে দল গড়ে তুলছে এবং যাদের লক্ষ্য ২০০২ সালের পর প্রথমবার দেশে বিশ্বকাপ ট্রফি ফিরিয়ে আনা।
আনচেলত্তি বলেন, ম্যাচটি নতুন খেলোয়াড়দের পরখ করে দেখার আরেকটি সুযোগ।
“এটি কোনো পরীক্ষা নয়, বরং একটি সুযোগ।”
রাজনৈতিক অস্থিরতার ‘ভরকেন্দ্র’ ও বিএনপির ক্ষমতার ভবিষ্যৎ
নারী ক্রিকেটের সংস্কার কি শুধু মানুষ বদলেই সীমাবদ্ধ?